বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর বিষয়ে তোমার মতামত দাও।
উত্তর: বৈদেশিক সাহায্য একটি দেশের আত্নবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। দেশের মানুষের বোঝা হয়ে উঠে এই সাহায্যে। এই অভিশাপ থেকে বের হয়ে আসতে নিম্নের পদক্ষেপ গুলো গ্রহণ করা যেতে পারে- ১. আমদানি নীতি: যে সমস্ত দ্রব্য এদেশের সম্পদ ব্যবহার করা সম্ভব, সে সমস্ত দ্রব্য এর আমদানির উপর বিধি-নিষেধ দিতে হবে। ২. জনশক্তি রপ্তানি: বৈদেশিক বাজারে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ছাড়াও অন্য অঞ্চলের শ্রমবাজারের খুঁজে বের করতে হবে। তাহলে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পেয়ে, বৈদেশিক সাহায্যের চাহিদা কমবে। ৩. সঞ্চয় প্রবণতা সৃষ্টি: দেশের মানুষের মাঝে সঞ্চয় প্রবণতা সৃষ্টি করা হলে, দেশের অর্থ দেশেই থাকবে এবং মূলধন বৃদ্ধি পাবে। ৪. উৎপাদনশীল খাতে সাহায্য: যেসব খাতে সাহায্য নিলে দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পারে, শুধু সেসব খাতেই বৈদেশিক সাহায্য নিতে হবে। ৫. রপ্তানি সুবিধা: রপ্তানিকারকদের উৎপাদন বিষয়ে সাহায্য করতে হবে, তাহলে দেশে রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। সুতরাং, বাংলাদেশের মতো স্বল্পোন্নত দেশের উচিত বৈদেশিক সাহায্য নয় বরং বৈদেশিক বানিজ্য বৃদ্ধি করা।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর বিষয়ে তোমার মতামত দাও।
উদ্দীপক
Chittagong · 2021
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর