স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু ছিল? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: বিদেশ থেকে প্রাপ্ত ঋণ ও অনুদানকে বৈদেশিক সাহায্য বলা হয়। তৃতীয় বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় মূলধন গঠনের জন্য জাতীয় সঞ্চয় বৃদ্ধির প্রয়োজন দেখা দেয়। কিন্তু জাতীয় আয়ের অর্জিত অর্থ দ্বারা অনুন্নত দেশগুলো তা করতে পারে না। এমতাবস্তায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং এর গতিশীলতা ধরে রাখার জন্য অনেক উন্নয়নশীল দেশকে বৈদেশিক সাহায্য নিতে হয়। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ একটি ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়। তখন বিভিন্ন দ্রব্য ক্রয়, প্রাকৃতিক সম্পদের উত্তোলন ও ব্যবহারের জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হয়। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এছাড়া তখন যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য রাস্তা-ঘাট, সেতু, কালভার্ট মেরামত অথবা নতুন তৈরির প্রয়োজন হয়। তাই তখন প্রচুর বৈদেশিক সাহায্যের প্রয়োজন ছিল। এছাড়া খাদ্য ঘাটতি পূরণের জন্য আমদানি করতে হয়। যার জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা তখন ছিল না। তাই বাধ্য হয়েই তখন বৈদেশিক সাহায্যের দ্বারস্থ হতে হয়। অর্থাৎ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তখন বৈদেশিক সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম ছিল।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা…
উদ্দীপক
Barisal · 2021
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর