বাংলাদেশ থেকে এরূপ আর কী ধরনের পণ্য রপ্তানি করা যায়? আলোচনা করো।
উত্তর: বাংলাদেশ থেকে এরূপ আরও অনেক অপ্রচলিত দ্রব্য আছে যা রপ্তানি করলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। অপ্রচলিত পণ্য বলতে সে সকল পণ্য বা সেবাকে বোঝায় যেগুলোকিছুকাল আগেও রপ্তানি করা হতো, কিন্তু বর্তমানে রপ্তানি করা হয় না। এ সকল সম্ভাবনাময় খাতগুলো সংক্ষিপ্তভাবে নিচে আলোচনা করা হলো:তৈরি পোশাক: মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং আমেরিকায় বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদা অনেক এবং ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এ খাতে আয় ৯৪৮৪ মিলিয়ন ডলার।হোসিয়ারি দ্রব্য বা নিটওয়্যার: হোসিয়ারি দ্রব্য যেমন: গেঞ্জি, আন্ডারওয়্যার, সুতি পায়জামা, টাইট্স ইত্যাদি।হস্তশিল্পজাত দ্রব্য: বিভিন্ন প্রকার কুটিরশিল্প ও শৌখিন দ্রব্যাদি এর অন্তর্ভুক্ত। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এসব দ্রব্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে।রাসায়নিক দ্রব্য: বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর কিছু পরিমাণ পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সার এবং কিছু রাসায়নিক দ্রব্য রপ্তানি করা হয়। এছাড়াও আরও কিছু কৃষিপণ্য ও শিল্পপণ্য রয়েছে যেগুলো অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্য হিসেবে পরিচিত। প্রচলিত রপ্তানি পণ্যের পাশাপাশি এই পণ্যগুলোও যদি সমান গুরুত্বের সাথে উৎপাদন ও রপ্তানি করা হয় তাহলে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।পরিশেষে বলা যায়, প্রচলিত রপ্তানি পণ্যের পাশাপাশি অপ্রচলিত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও আমাদের আরো যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। এগুলো রপ্তানি করে যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে তা আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
বাংলাদেশ থেকে এরূপ আর কী ধরনের পণ্য রপ্তানি করা যায়? আলোচনা করো।
উদ্দীপক
Dinajpur · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর