শেয়ারFacebookWhatsApp

দৃশ্যকল্প-১ অনুযায়ী একটি দেশের সম্পদের যথাযথ ব্যবহার কীভাবে নিশ্চিত হয়? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে 'দৃশ্যকল্প-১ অনুযায়ী, মি. 'M [গণিত] -এর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে একটি দেশের সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয় তুলনামূলক সুবিধা অর্জন এবং বিশেষীকরণের নীতির মাধ্যমে। একটি দেশ যখন কোনো নির্দিষ্ট পণ্য উৎপাদনে অন্য দেশের তুলনায় কম খরচে বা বেশি দক্ষতায় উৎপাদন করতে পারে, তখন সেই পণ্যে তার তুলনামূলক সুবিধা থাকে। এই নীতির মূলকথা হলো, প্রতিটি দেশ সেসব পণ্য উৎপাদনে বিশেষীকরণ করবে, যা তারা সবচেয়ে দক্ষতার সাথে বা তুলনামূলকভাবে কম উৎপাদন ব্যয়ে তৈরি করতে পারে। সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য, একটি দেশ তার উপলব্ধি প্রাকৃতিক সম্পদ, শ্রম এবং মূলধনকে সেই পণ্য উৎপাদনে পুরাপুরি ব্যবহার করে যেখানে তার তুলনামূলক সুবিধা রয়েছে। এর ফলে উৎপাদিত পণ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং গুণগত মানও ভালো হয়। এই উদ্বৃত্ত পণ্য অন্য দেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয়। অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করে সেই দেশ এমন সব পণ্য আমদানি করে, যা দেশে উৎপাদন করতে গেলে বেশি খরচ বা দক্ষতার অভাব দেখা যেত। এভাবে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রতিটি দেশ তার সম্পদকে সেই খাতে ব্যবহার করে যেখানে সে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনশীল।এর ফলে সম্পদের অপচয় রোধ হয়, উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং দেশগুলো তাদের সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে সর্বাধিক পরিমাণে পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে পারে। এটি কেবল দেশের মোট উৎপাদন বৃদ্ধি, করে না, বরং ভোক্তাদেরকে আরও বৈচিত্র্যময় পণ্য ভোগ করার সুযোগ দেয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কল্যাণ বৃদ্ধি পায়।

HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল

দৃশ্যকল্প-১ অনুযায়ী একটি দেশের সম্পদের যথাযথ ব্যবহার কীভাবে নিশ্চিত…

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: মি. 'MM^{\prime} গলদা চিংড়ি ইউরোপসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশে রপ্তানি করে। আবার, চীন থেকে লৌহজাত দ্রব্য আমদানি করে। ফলে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশ উপকৃত হয়। দৃশ্যকল্প-২: মি. 'NN^{\prime} নওগাঁ হতে চট্টগ্রাম ও সিলেটে চাল বিক্রি করে। ফলে বাংলাদেশে চালের দাম প্রায় একই থাকে।

Dhaka · 2025

উত্তর

FDI-এর পূর্ণরূপ হলো- Foreign Direct Investment

উত্তর

হ্যাঁ, একাধিক দ্রব্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ভিত্তি, কারণ এটি দেশগুলোর মধ্যে বিশেষীকরণ ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে। যখন একটি দেশ একাধিক দ্রব্য উৎপাদনে তুলনামূলক সুবিধা অর্জন করে, তখন সে সেসব দ্রব্য উৎপাদনে বিশেষীকরণ করে। এতে উৎপাদন খরচ কমে ও পণ্যের পরিমাণ বাড়ে। এই উদ্বৃত্ত পণ্য রপ্তানি করে তারা এমন পণ্য আমদানি করে যা উৎপাদনে তাদের অসুবিধা রয়েছে। এভাবে বিভিন্ন দ্রব্যের বিনিময়ের মাধ্যমে দেশগুলো তাদের সম্পদকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে উৎপাদন দক্ষতা বাড়াতে পারে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত দৃশ্যকল্প দুটির বাণিজ্যের ধরন হলো যথাক্রমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বলতে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অন্য দেশের সাথে পণ্য ও সেবার আদান-প্রদানকে বোঝায়। এই বাণিজ্যে সাধারণত ভিন্ন ভিন্ন দেশের মুদ্রা, রীতিনীতি, শুল্ক, পরিবহণ খরচ এবং আইনের ভিন্নতা থাকে। অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বলতে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার অভ্যন্তরে বিভিন্ন অঞ্চল বা প্রদেশের মধ্যে পণ্য ও সেবার আদান-প্রদানকে বোঝায়। এই বাণিজ্য একই মুদ্রা, একই আইন এবং তুলনামূলক কম পরিবহণ খরচে পরিচালিত হয়। দৃশ্যকল্প-১ এ মি. 'MM^{\prime} গলদা চিংড়ি ইউরোপসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশে রপ্তানি করেন এবং আবার চীন থেকে লৌহজাত দ্রব্য আমদানি - করেন। এখানে ভিন্ন ভিন্ন দেশের মধ্যে পণ্য আদান-প্রদান হওয়ায় এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্তর্ভুক্ত। অপরদিকে, দৃশ্যকল্প-২ এ মি. 'NN^{\prime} নওগাঁ হতে চট্টগ্রাম ও সিলেটে চাল বিক্রি করেন। এখানে নওগাঁ, চট্টগ্রাম ও সিলেট একই দেশের ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চল, তাই এটি অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের উদাহরণ।

উত্তর

উদ্দীপকে 'দৃশ্যকল্প-১ অনুযায়ী, মি. 'MM^{\prime}-এর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে একটি দেশের সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয় তুলনামূলক সুবিধা অর্জন এবং বিশেষীকরণের নীতির মাধ্যমে। একটি দেশ যখন কোনো নির্দিষ্ট পণ্য উৎপাদনে অন্য দেশের তুলনায় কম খরচে বা বেশি দক্ষতায় উৎপাদন করতে পারে, তখন সেই পণ্যে তার তুলনামূলক সুবিধা থাকে। এই নীতির মূলকথা হলো, প্রতিটি দেশ সেসব পণ্য উৎপাদনে বিশেষীকরণ করবে, যা তারা সবচেয়ে দক্ষতার সাথে বা তুলনামূলকভাবে কম উৎপাদন ব্যয়ে তৈরি করতে পারে। সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য, একটি দেশ তার উপলব্ধি প্রাকৃতিক সম্পদ, শ্রম এবং মূলধনকে সেই পণ্য উৎপাদনে পুরাপুরি ব্যবহার করে যেখানে তার তুলনামূলক সুবিধা রয়েছে। এর ফলে উৎপাদিত পণ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং গুণগত মানও ভালো হয়। এই উদ্বৃত্ত পণ্য অন্য দেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয়। অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করে সেই দেশ এমন সব পণ্য আমদানি করে, যা দেশে উৎপাদন করতে গেলে বেশি খরচ বা দক্ষতার অভাব দেখা যেত। এভাবে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রতিটি দেশ তার সম্পদকে সেই খাতে ব্যবহার করে যেখানে সে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনশীল।এর ফলে সম্পদের অপচয় রোধ হয়, উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং দেশগুলো তাদের সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে সর্বাধিক পরিমাণে পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে পারে। এটি কেবল দেশের মোট উৎপাদন বৃদ্ধি, করে না, বরং ভোক্তাদেরকে আরও বৈচিত্র্যময় পণ্য ভোগ করার সুযোগ দেয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কল্যাণ বৃদ্ধি পায়।
HSCEconomics 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-
i. কৃষি ঋণ বিতরণ
ii. কৃষি উপকরণ বিতরণ
iii. শস্য বহুমুখীকরণনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-
i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন
ii. অধিক বাণিজ্য
iii. অধিক কর্মসংস্থান নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-i. কৃষি ঋণ বিতরণii. কৃষি উপকরকোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়নii. অধিক উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।