উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের গতি-প্রকৃতি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে কিছুটা ইতিবাচক গতি-প্রকৃতি লক্ষ করা যায়। এক অর্থ বছরে কোনো দেশের দৃশ্যমান রপ্তানি আয় অপেক্ষা দৃশ্যমান আমদানি ব্যয় বেশি হলে তাকে প্রতিকূল বাণিজ্য ভারসাম্য বলে। এ অবস্থায় মোট আমদানি ব্যয় মোট রপ্তানি আয় অপেক্ষা বেশি হয়। তাই এখানে রপ্তানি আয় থেকে আমদানি ব্যয় বাদ দিলে যে মান পাওয়া যায়, তা শূন্য থেকে কম। এটি বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি বা প্রতিকূল বাণিজ্য ভারসাম্য নির্দেশ করে। উদ্দীপকে ১৯৮৫-৮৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৮১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আমদানি ব্যয় ২৩৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আবার, ২০০৫-০৬ ও ২০২০- ২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় যথাক্রমে ১০৫২৬ ও.৩৮৭৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ সময় আমদানি ব্যয় যথাক্রমে ১৪৭৪৬ ও ৬৫৫৯৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোনো দেশের রপ্তানির পরিমাণ মোট উৎপাদন ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। আর আমদানির পরিমাণ দেশের মোট চাহিদার ওপর নির্ভর করে। তাই দেশের উৎপাদন ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে রপ্তানি বৃদ্ধি পায়। আর দেশের মোট চাহিদা বৃদ্ধি পেলে আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এ কারণে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ও আমদানি ব্যয় ক্রমশ বাড়ছে। কিন্তু আমদানি ব্যয় বেশি হওয়ায় বাণিজ্য ভারসাম্য প্রতিকূল রয়েছে। এ প্রতিকূল ভারসাম্যও ক্রশম বৃদ্ধি পেয়েছে।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের গতি-প্রকৃতি বিশ…
উদ্দীপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর