উদ্দীপকে বৈদেশিক ঋণ সম্পর্কে যে মন্তব্য করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে তার যথার্থতা বিচার কর।
উত্তর: উদ্দীপকে বৈদেশিক ঋণ সম্পর্কে যে, মন্তব্য করা হয়েছে, "বৈদেশিক ঋণগ্রহীতা দেশের সার্বভৌম চিন্তার স্বাধীনতাকে খর্ব করে"- বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে এ উক্তিটি অত্যন্ত যথার্থ। বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ যেমন উন্নয়নশীল 'দেশের জন্য প্রয়োজনীয়, তেমনি এর কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে।বৈদেশিক ঋণের সাথে প্রায়শই কিছু শর্তাবলি জুড়ে দেওয়া হয়। এই - শর্তগুলো ঋণ প্রদানকারী দেশ বা আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্বারা নির্ধারিত হয় এবং গ্রহীতা দেশকে সেগুলো মেনে চলতে হয়। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অনেক সময় এ শর্তগুলো মেনে নিতে বাধ্য হতে হয়, এমনকি যদি সেগুলো তাদের নিজস্ব অর্থনৈতিক নীতি বা সামাজিক অগ্রাধিকারের পরিপন্থি হয়। এ শর্তগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ নীতি নির্ধারণে সরকারের স্বাধীনতাকে সীমিত করে দেয়, যা পরোক্ষভাবে দেশের সার্বভৌমত্বকে খর্ব করে। এছাড়াও বৈদেশিক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা একটি দেশকে দীর্ঘমেয়াদে পরনির্ভরশীল করে তোলে। এটি দেশের আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের পথে বাধা সৃষ্টি করে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের দরকষাকষির ক্ষমতা দুর্বল করে।forgeous good promote 200 regent (Ayone ogans apponeসুতরাং, বৈদেশিক ঋণ যদিও উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন সরবরাহ করে, তবে এর শর্তযুক্ততা এবং পরনির্ভরশীলতা সৃষ্টির প্রবণতা দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা দেশের আত্মমর্যাদা ও স্বাধীন অর্থনৈতিক পরিকল্পনার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে বৈদেশিক ঋণ সম্পর্কে যে মন্তব্য করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রেক্…
উদ্দীপক
Dinajpur · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর