উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি আয়ের শ্রেণিবিভাগ দেখাও।
উত্তর: সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা, উন্নয়নমূলক কাজ এবং জনকল্যাণের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে। উদ্দীপকে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোকে প্রধানত দুটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। নিচে এই শ্রেণিবিভাগ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:১. কর রাজস্ব (Tax Revenue):সরকার জনসাধারণের ওপর বাধ্যতামূলকভাবে যে কর ধার্য করে এবং যার বিনিময়ে সরাসরি কোনো বিশেষ সুবিধা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয় না, তাকে কর রাজস্ব বলে। উদ্দীপকে উল্লিখিত কর রাজস্বের উদাহরণগুলো হলো:ক. প্রত্যক্ষ কর: যেমন- আয়কর ও সম্পত্তি কর। এগুলো সরাসরি ব্যক্তির আয় বা সম্পদের ওপর ধার্য করা হয়।খ. পরোক্ষ কর: যেমন- পণ্য কর, আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও প্রমোদ কর। এগুলো পণ্য বা সেবার ওপর ধার্য করা হয় এবং সাধারণ মানুষ ক্রয়ের সময় এটি পরিশোধ করে।২. কর-বহির্ভূত রাজস্ব (Non-Tax Revenue):কর ছাড়াও সরকার বিভিন্ন প্রশাসনিক সেবা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা জরিমানা থেকে যে আয় করে, তাকে কর-বহির্ভূত রাজস্ব বলে। উদ্দীপকে উল্লিখিত উদাহরণগুলো হলো:ক. প্রশাসনিক আয়: টোল ও লেভি, সম্পদ বাজেয়াপ্তকরণ ইত্যাদি।খ. সরকারি মালিকানাধীন সেবা ও ব্যবসা: ডাক বিভাগ, রেলওয়ে এবং বনজ সম্পদ বিক্রয় হতে প্রাপ্ত আয়।গ. ইজারা: সরকারি সম্পত্তি বা হাট-বাজার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভাড়া বা ইজারা দেওয়া থেকে প্রাপ্ত অর্থ।উপরোক্ত আলোচনার মাধ্যমে দেখা যায় যে, বাংলাদেশ সরকার তার প্রয়োজনীয় অর্থ শুধু কর থেকেই নয়, বরং বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক উৎস থেকেও সংগ্রহ করে থাকে। এই দুই প্রকার আয়ের সমন্বয়েই দেশের জাতীয় বাজেটের রাজস্ব অংশ গঠিত হয়।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি আয়ের শ্রেণিবিভাগ দেখাও।
উদ্দীপক
নটরডেম কলেজ · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর