উদ্দীপকে সরকারি ঋণের বিভিন্ন উৎসের উল্লেখ রয়েছে।
সরকার দেশের ভেতরে বিভিন্ন ব্যক্তি, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে যে ঋণ গ্রহণ করে তাকে অভ্যন্তরীণ ঋণ বলে। আবার, সরকার বিদেশি সরকার, ব্যক্তি, আন্তর্জাতিক সংস্থা ইত্যাদি থেকে যে ঋণ গ্রহণ করে তাকে বৈদেশিক ঋণ বলে। সরকার এই দুটি উৎস হতে ঋণ গ্রহণ করে তার অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রমের ব্যয় নির্বাহ করে থাকে।
উদ্দীপকে B দেশের সরকার বিভিন্ন প্রকল্প ব্যয়ের ৭০ শতাংশ মেটাতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন- বিশ্ব ব্যাংক JICA ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)-এর শরণাপন্ন হয়। এ ছাড়াও বিভিন্ন বন্ধু রাষ্ট্র এ বিদেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান হতে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সহায়তা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। সরকারি ঋণের এ উৎসগুলো বৈদেশিক উৎস হিসেবে বিবেচিত। আর বাকি অংশিষ্ট ৩০ শতাংশ ব্যয় সরকারি বন্ড, ঋণপত্র সঞ্চয়পত্র, শেয়ার ও সরকারি বন্ড বিক্রয় এবং দেশীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পূরণ করে। এগুলো অভ্যন্তরীণ উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।