উদ্দীপকের উল্লেখিত খাতগুলো ব্যতীত সরকার আরও যেসকল খাতে ব্যয় করতে পারে নিম্নে সে বিষয়ে মতামত তুলে ধরা হলো : উদ্দীপকে সরকার জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ, প্রতিরক্ষা ব্যয় নির্বাহ, সামাজিক নিরাপত্তা, নগরায়ন ইত্যাদি খাতে ব্যয় করে আসছে। যেহেতু সরকারের উদ্দেশ্যই জনকল্যাণমুখী কর্মকান্ড পরিচালনা করা, তাই সরকার দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য জনগণের শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা গ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ইত্যাদি খাতে ব্যয় করতে পারে।একটি দেশের উন্নয়নের জন্য সেই দেশের জনগণের শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরকারের অবশ্যই উচিত শিক্ষা খাতে ব্যয় করা। পাশাপাশি দেশের জনগণকে জনসম্পদের রূপান্তরের জন্য তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করলে তারা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে। চিকিৎসা সেবা মানুষের একটি মৌলিক অধিকার, আর সরকার এই খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করলে জনগণের চিকিৎসা সেবা গ্রহণে সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও অবকাঠামগত উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের একদিকে যেমন উন্নতি সাধিত হবে অপরদিকে এই উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলো তো দেশের প্রচুর মানুষজনের কর্মসংস্থান হবে। পাশাপাশি দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন যেমন রাস্তাঘাট নির্মাণ, সেতু নির্মাণ ইত্যাদির ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি দেশের বা অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও বিভিন্ন সেবার মান বৃদ্ধি পাবে। যা দেশের অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত করবে। পাশাপাশি বৈদেশিক ঋণ পরিষদের সরকার ব্যয় করলে উক্ত ঋণের সুদের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে না যার ফলে দেশের অর্থনীতি আরো সমৃদ্ধ হবে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের উল্লেখিত খাতগুলো ব্যতীত সরকার শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা গ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ইত্যাদি খাতে ব্যয় করতে পারে।