উদ্দীপকে উল্লিখিত অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণ উত্তম হবে বলে আমি মনে করি।
সরকার নিজ দেশের জনগণ, ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে যে ঋণ গ্রহণ করে তাকে অভ্যন্তরীণ ঋণ বলে। পক্ষান্তরে, বিদেশি ব্যক্তি, সরকার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান হতে যে ঋণ গ্রহণ করে তাই বৈদেশিক ঋণ। সরকার অভ্যন্তরীণ ঋণ সংগ্রহ করতে জনগণকে স্বেচ্ছায় ঋণ প্রদানে বাধ্যতামূলক পদক্ষেপ নিতে পারে ।
উদ্দীপকে সরকার ব্যয় নির্বাহের জন্য অভ্যন্তরীণ ঋণের উৎস ও বৈদেশিক ঋণের উৎস হতে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। অভ্যন্তরীণ ঋণের আর্থিক ভার নেই, শুধু প্রকৃত ভার আছে। অন্যদিকে বৈদেশিক ঋণ দ্বারা এক দেশের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস অন্য দেশের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় । এ ঋণ পরিশোধে সমাজের আর্থিক ও প্রকৃত ভার উভয়ই বহন করতে হয় । অভ্যন্তরীণ ঋণ পরিশোধ করার জন্য নতুন মুদ্রা ছাপানো যায়। কিন্তু বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অথবা স্বর্ণ আবশ্যক । অভ্যন্তরীণ সরকারি ঋণ দেশে বিনিয়োগ, নিয়োগ, উৎপাদন ও আয়