উদ্দীপকে বাংলাদেশ সরকারের কোন পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: একটি দেশ দীর্ঘমেয়াদে কোন অবস্থানে পৌঁছাতে চায়, তার একটি রূপরেখা হলো প্রেক্ষিত পরিকল্পনা। উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ সরকার ২০১১ সালে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। মূলত এই পরিকল্পনার মাধ্যমেই বাংলাদেশকে একটি ডিজিটাল দেশে রূপান্তর এবং নিম্ন আয়ের দেশ থেকে 'নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে' উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। নিচে এই পরিকল্পনার চিহ্নিতকরণের সপক্ষে যুক্তি দেওয়া হলো: ১. সময়কাল ও ধারাবাহিকতা: বাংলাদেশে ২০১১ সালে প্রথম ১০ বছর মেয়াদি (২০১১-২০২১) প্রেক্ষিত পরিকল্পনা কার্যকর করা হয়। যদিও উদ্দীপকে ২০২৫ সালের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, এটি মূলত বর্তমানের 'দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-২০৪১)'-এর সাথে সমন্বয় বা ধারাবাহিক উন্নয়নের অংশকে নির্দেশ করে। ২. মধ্যম আয়ের দেশের লক্ষ্য: উদ্দীপকে বলা হয়েছে, এই কৌশলের ফলেই দেশটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পথ সুগম করেছে। বাস্তব ক্ষেত্রেও, এই পরিকল্পনার অধীনে ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ২০১৫ সালে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ৩. উন্নয়ন কৌশল: এই পরিকল্পনার মূল ভিত্তি ছিল সুশাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ। উদ্দীপকের বর্ণনার সাথে এই কৌশলগুলোর হুবহু মিল পাওয়া যায়।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে বাংলাদেশ সরকারের কোন পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে?
উদ্দীপক
সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর