উদ্দীপকে A দেশের সরকার মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন উৎস হতে ঋণ নিয়ে প্রাক্কলিত ব্যয় সংগ্রহ করেছে। উদ্দীপকে প্রকল্প ব্যয়ের ৫০% ঋণ নেওয়া হয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও বিশ্বব্যাংকের নিকট হতে। ঋণের এই দুটি উৎসই হচ্ছে বৈদেশিক উৎস। কারণ একটি দেশ যখন বাইরের কোনো দেশ, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠান হতে ঋণ সংগ্রহ করে তখন তাকে ঋণ সংগ্রহের বৈদেশিক উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। অবশিষ্ট ৫০% ঋণের ব্যয় সরকারি বন্ড, ঋণপত্র, সঞ্চয়পত্র বিক্রি এবং বন্ধু রাষ্ট্র থেকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছে। এই ক্ষেত্রে সরকারি বন্ড, ঋণপত্র ও সঞ্চয়পত্র বিক্রি এগুলো সরকারি ঋণের অভ্যন্তরীণ উৎস হিসেবে চিহ্নিত। আবার বন্ধু রাষ্ট্র হতে যে ঋণ সংগ্রহ করেছে তা সরকারে ঋণের বৈদেশিক উৎস হিসেবে বিবেচিত। কারণ এই ঋণের উৎসটি দেশের বাইরে বিদ্যমান।উপরিউক্ত আলোচনার শেষে দেখা যায়, প্রাক্কলিত ব্যয়ের প্রথম ৫০% ঋণ সংগৃহীত হয়েছে বৈদেশিক উৎস হতে এবং অবশিষ্ট ৫০% ঋণ সংগৃহীত হয় অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস হতে। এক্ষেত্রে সরকারি বন্ড, ঋণপত্র ও সঞ্চয়পত্র হলো অভ্যন্তরীণ উৎস এবং বন্ধু রাষ্ট্রের প্রদত্ত ঋণ বাহ্যিক উৎস হিসেবে বিবেচিত।