উদ্দীপকে সরকারি ঋণের অভ্যন্তরীণ উৎস ও সরকারি ঋণের বাহ্যিক উৎস দুটির কথা বলা হয়েছে।
সরকারি ঋণ বলতে সরকার কর্তৃক গৃহীত ঋণকে বোঝায়। একজন ব্যক্তির ন্যায় সরকারও অনেক সময় মুদ্রা ধার করতে বাধ্য হয়। বর্তমানে সরকারের আর্থসামজিক দায়িত্ব ও কর্তব্য এত ব্যাপক যে, স্বাভাবিক রাজস্ব আয় দ্বারা এসবের ব্যয় সংকুলান করা মোটেই সম্ভব হয় না। তাই বর্ধিত ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করে থাক। সরকার অভ্যন্তরীণ যেসব উৎস থেকে ঋণ সংগ্রহ করে তার মধ্যে প্রধান হলো ব্যক্তিবর্গ, বাণিজ্যিক ব্যাংক, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক নয় এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।
অভ্যন্তরীণ সংগৃহীত ঋণ প্রয়োজনের তুলনায় কম হলে সরকারকে ঋণের বাহ্যিক উৎসগুলো থেকে ঋণ গ্রহণ করতে হয়। বাহ্যিক যেসব উৎস থেকে সরকার ঋণ গ্রহণ করে থাকে তা হলো- বিদেশি সরকার, বিদেশি ব্যক্তি, বিদেশি বেসরকারি কোম্পানি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তবে এ ঋণ অনিশ্চিত ও নির্ভরশীল নয়। এছাড়া দেশের স্বাস্থ্যের জন্য তা কখনো ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
উদ্দীপকের বর্ণিত প্রথম অংশের ঋণদান প্রতিষ্ঠান জনগণ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সরকারি ঋণের অভ্যন্তরীণ উৎসকে এবং দ্বিতীয় অংশের ঋণদান প্রতিষ্ঠান বিদেশি সরকার, সংস্থা যা বাহ্যিক উৎসকে প্রতিফলিত করে।