সরকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। সরকারি ঋণের উদ্দেশ্যসমূহ উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করা হলো-কল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থায় সরকারকে দেশের জনগণের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচনসহ বিভিন্ন খাতে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। এছাড়াও দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অর্থনৈতিক সংকটের মতো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে তাৎক্ষণিক ও বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয়। যখন সরকারের প্রচলিত আয় এই বিশাল ব্যয় নির্বাহে অপর্যাপ্ত হয়, অর্থাৎ বাজেট ঘাটতি দেখা দেয়, তখন সেই ঘাটতি পূরণের জন্য ঋণ গ্রহণ অপরিহার্য হয়ে ওঠে।উদ্দীপকে বলা হয়েছে যে, "কল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা উদ্ভবের পর সরকারি ব্যয়ের আওতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।” এই বর্ধিত ব্যয়ের অর্থসংস্থানের জন্যই সরকার ঋণ গ্রহণ করে। এছাড়াও উদ্দীপকে উল্লেখ আছে যে, সরকার "আর্থসামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ, জরুরি অবস্থা মোকাবিলা, ঘাটতি বাজেটে অর্থায়নসহ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য" ঋণ গ্রহণ করে। এসব উদ্দেশ্য পূরণের মাধ্যমে সরকার দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সচেষ্ট থাকে।