উদ্দীপকে বর্ণিত সরকারি আয়ের উৎসসমূহ হলো- কর রাজস্ব, কর বহির্ভূত রাজস্ব ও অন্যান্য।
প্রতিটি দেশের সরকারই কল্যাণকর রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে অর্জন করতে প্রশাসনিক কার্যাবলি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। এ লক্ষ্যে সরকার সাধারণত কর রাজস্ব, কর বহির্ভূত রাজস্ব, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ, বৈদেশিক অনুদান ইত্যাদির মাধ্যমে আয় করে।
উদ্দীপকে সরকার তার ব্যয় নির্বাহের জন্য করারোপসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস হতে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। অর্থাৎ কর আরোপের মধ্যে মূল্য সংযোজন কর, সম্পূরক শুল্ক, ভূমি রাজস্ব ও যানবাহন কর ইত্যাদি হচ্ছে সরকারের কর রাজস্ব। আর টোল ও লেভি, মুনাফা, জরিমানা ইত্যাদি হচ্ছে কর বহির্ভূত রাজস্ব। এগুলো ছাড়াও সরকারি আয়ের মধ্যে অন্যতম উৎস হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস।
সরকার বিভিন্ন ধরনের কর আরোপের মাধ্যমে কর রাজস্ব সংগ্রহ করে। কর ছাড়া সরকার জনগণকে বিশেষ সেবা প্রদানের মাধ্যমে যে আয় করে তা কর বহির্ভূত রাজস্ব। সরকার কর ও কর বহির্ভূত রাজস্ব ছাড়া তার ব্যয় নির্বাহের জন্য দেশের ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে। এছাড়া সরকারি ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার বিদেশি সরকার বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকেও ঋণ গ্রহণ করে। এসব উৎস থেকে প্রাপ্ত আয়ে যদি সরকার তার সম্পূর্ণ ব্যয় নির্বাহ করতে না পারে তাহলে অতিরিক্ত মুদ্রা ছাপিয়ে অর্থসংস্থান করে। তাই বলা যায়, সরকার অনেক উৎস হতে তার আয়ের সংস্থান করে।