উদ্দীপকে বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। যা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-বাংলাদেশ রূপকল্প-২০২১ (ভিশন-২০২১) এবং সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা [এমজিডি (মিলেনিয়াম গোলস ডেভেলপমেন্ট)] অর্জনের জন্য বাংলাদেশ প্রেক্ষিতে পরিকল্পনা রূপকল্প ২০২১ প্রণীত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ ২০১০-১১ থেকে ২০১৪-১৫ মেয়াদের জন্য যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে তা বাংলাদেশের ষষ্ঠ পঞ্চ- বার্ষিক পরিকল্পনা বলে পরিচিত।ষষ্ঠ পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো- একটি ধর্মনিরপেক্ষ, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন; পরিবেশবান্ধব ও অনুকূল শিল্পায়ন কৌমল নীতি গ্রহণ, পর্যাপ্ত অবকাঠামো সৃষ্টি, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি দমন ইত্যাদি। এসব ছাড়াও টেকসই মানব উন্নয়ন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ,বিদ্যুৎ ও জ্বালানির পর্যাপ্ত সরবরাহ ইত্যাদিও হলো এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।সাতটি প্রধান ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত ষষ্ঠ পরিকল্পনার লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো- উৎপাদন, আয় সৃষ্টি ও দারিদ্র্য হ্রাস, মানবসম্পদ উন্নয়ন, নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন, লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।ষষ্ঠ পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা উন্নয়ন কৌশলও রয়েছে; এগুলো হলো- উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার হ্রাস, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আঞ্চলিক সুষম উন্নয়ন, আয় বৈষম্য হ্রাস, সামাজিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা জোরদারকরণ, পরিবেশ সংরক্ষণমূলক উন্নয়ন পদ্ধতি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি।