উদ্দীপকে যে পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে তা অন্যান্য পরিকল্পনার তুলনায় স্বতন্ত্র। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাংলাদেশে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই বাংলাদেশ পরিকল্পিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে অগ্রসর পথে অগ্রসর হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণিত হয়েছে, যা অন্যান্য পরিকল্পনার চেয়ে স্বতন্ত্র । ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় যেসব লক্ষ্যমাত্রা ও উদ্দেশ্য নির্ধারিত হয়েছে সেগুলোকে ৭টি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। ১. আয় ও দারিদ্র্য, ২. মানবসম্পদ উন্নয়ন, ৩. পানি ও স্যানিটেশন, ৪. জ্বালানি ও অবকাঠামো, ৫. জেন্ডার সমতা ও ক্ষমতায়ন, ৬. টেকসই পরিবেশ, ৭. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। এগুলোর অধীনে আবার কতকগুলো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পরিকল্পনার মৌলিক উদ্দেশ্য হচ্ছে উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন তথা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যা বর্তমানে ১৫% এর নিচে নামিয়ে আনা এবং ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা। এসব দিক বিবেচনা করেই উদ্দীপকের পরিকল্পনাকে অন্যান্য পরিকল্পনা থেকে স্বতন্ত্র বলা হয়েছে।