'উদ্দীপকে উল্লিখিত B পরিকল্পনাটি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারা বিরামহীন গতিতে চলমান রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ' বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত B পরিকল্পনাটি অর্থাৎ, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারা বিরামহীন গতিতে চলমান রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সাধারণত ১০ থেকে ২৫ বছর মেয়াদি হয়ে থাকে। এই পরিকল্পনাগুলো সাধারণত প্রেক্ষিত পরিকল্পনা নামে পরিচিত। এ ধরনের পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য থাকে দেশের মৌলিক কাঠামোগত পরিবর্তন সাধন করা। দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো বৃহৎ ও সময়সাপেক্ষ লক্ষ্যগুলো অর্জনই এ পরিকল্পনার উদ্দেশ্য। উদ্দীপকে B পরিকল্পনার সময়সীমা ১০ থেকে ২৫ বছর বলা হয়েছে এবং এটি অনুন্নত দেশসমূহে বিশেষভাবে সমাদৃত। অনুন্নত দেশগুলোর প্রধান সমস্যা হলো দারিদ্র্য, দুর্বল অবকাঠামো এবং নিম্ন মানবসম্পদ। এই সমস্যাগুলো রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। তাই B পরিকল্পনার মতো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, যেখানে একটি সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নির্ধারণ করে ধাপে ধাপে তা অর্জনের চেষ্টা করা হয়। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা পরপর কয়েকটি মধ্যমেয়াদি বা পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সমন্বয়ে গঠিত হয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, যেখানে এক পরিকল্পনার ব্যর্থতা অন্য পরিকল্পনার সাফল্য দিয়ে পূরণ করা যায়। উদাহরণস্বরূপ: বিদ্যুৎ উৎপাদন বা বৃহৎ শিল্প স্থাপন স্বল্পমেয়াদে সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এই ধরনের বৃহৎ প্রকল্পগুলোর জন্য একটি স্থিতিশীল ভিত্তি তৈরি করে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই ও নিরবচ্ছিন্ন করে তোলে। এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামোকে মজবুত করে এবং মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার মতো জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে। অতএব, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বিরামহীন গতিতে চলমান রাখার জন্য অপরিহার্য।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
'উদ্দীপকে উল্লিখিত B পরিকল্পনাটি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারা…
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর