শেয়ারFacebookWhatsApp

বিশেষজ্ঞগণের আশাবাদের আলোকে বাংলাদেশে উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: বাংলাদেশ সরকার রূপকল্প-২০২১ এর সুনির্দিষ্ট ২২টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা এবং একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। বিশেষজ্ঞগণ আশাবাদ ব্যক্ত করেন এসব পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্পসমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা সম্ভব হবে। বিশেষজ্ঞগণের এ আশাবাদের আলোকে বাংলাদেশে উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্ব নিচে আলোচনা করা হলো।বাংলাদেশে যথেষ্ট প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদ থাকলেও তার সুষ্ঠু ব্যবহার হয় না। এ অবস্থায় উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে যথেষ্ট সময় নিয়ে এবং উপযুক্ত নীতি কৌশল অবলম্বনের দ্বারা সকল সম্পদের কাম্য ব্যবহার সম্ভব। বাংলাদেশের জনসংখ্যা অতিরিক্ত ও জন্মহার বেশি। প্রাপ্ত সম্পদের সাথেদারুণভাবে অসংগতিপূর্ণ হয়ে ওঠায় বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, যা উন্নয়নের গতিরোধ করছে। এ অবস্থায় জন্মহার হ্রাসের মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির দুটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো কৃষি ও শিল্প। বর্তমানে কৃষিতে আধুনিকীকরণের ছোঁয়া লাগলেও তা এখনো ব্যাপক হয়নি; অন্যদিকে, দেশে ভারী শিল্পের অভাবে শিল্পোন্নয়নের গতি মন্থর। এ অবস্থায় এ দুটি খাতের ধারাবাহিক ও দ্রুত উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন একান্ত জরুরি। বাংলাদেশে বিগত কয়েক দশক ধরে কৃষি ও শিল্প খাতে যে আধুনিকীকরণ ঘটেছে ও উৎপাদনশীলতা বেড়েছে তা প্রকৃত অর্থে এ যাবৎ গৃহীত কয়েকটি উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে।বাংলাদেশে বেকার সমস্যা প্রকট; জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই বেকার। দেশে আয় বৈষম্যও প্রকট। ফলে জনসাধারণের জীবনযাত্রার মানও বেশ নীচু। এ প্রেক্ষিতে বিনিয়োগ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হলে বেকারত্ব কমবে, কর্মসংস্থান বাড়বে, আয় বৈষম্য কমবে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। কিন্তু এ বিরাট ও ব্যয়বহুল কাজ সুচিন্তিত পরিকল্পনা ছাড়া করা সম্ভব নয়।উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে বিশেষজ্ঞদের আশাবাদ বাস্তবায়িত করার জন্য বাংলাদেশে উন্নয়ন পরিকল্পনার যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।

HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল

বিশেষজ্ঞগণের আশাবাদের আলোকে বাংলাদেশে উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্ব ব্য…

উদ্দীপক

বর্তমান বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত 'রূপকল্প-২০২১'-এর সুনির্দিষ্ট ২২টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং এর যথাযথ বাস্তবায়ন। এ পরিকল্পনার অধীনে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ শেষ হওয়ায় সম্প্রতি সরকার সর্বশেষ সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সরকার মনে করে এসব পরিকল্পনার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য অর্জন সহজ হবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে। বিশেষজ্ঞরাও আশা করেছেন, এসব পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্প সমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা সম্ভব হবে।

Barisal · 2017

উত্তর

সাধারণত দীর্ঘমেয়াদে ১০ থেকে ২৫ বছর সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নির্বাচন করে যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় তাকে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বলে।

উত্তর

দীর্ঘমেয়াদে যেমন ১০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কতগুলো অর্থনৈতিক ও সামাজিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে পরিকল্পনা প্রণীত হয় তাই হলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; আর সর্বাধিক ৫ বছরের জন্য যে পরিকল্পনা প্রণীত হয় তাই হলো স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বাস্তবায়ন বহু বছর ধরে চলে বলে একে একাধিক স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনায় বিভক্ত করে ধাপে ধাপে এর বাস্তবায়ন করা হয়। তাই একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সাফল্য এর অন্তর্গত স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনাগুলোর সাফল্যের ওপর নির্ভর করে। এজন্যই বলা হয় স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভীত রচনা করে।

উত্তর

হাউদ্দীপকে রূপকল্প বা ভিশন ২০২১-এর ২২টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের উদ্দেশ্যে সরকার ২০১০-২০২১ সময় মেয়াদের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি তথা একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এ প্রেক্ষিতে পরিকল্পনার সকল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কাজ এক সাথে শুরু ও কার্যকর করে তোলা সম্ভব নয় বিধায় সরকার একে দুটি পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনায় বিভক্ত করেছে।বর্তমান সরকার-২০২১ সাল (স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী) নাগাদ যে দ্রুত বিকাশশীল, সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা করেছে তাই হলো রূপকল্প-২০২১-এর ২২টি আশাদীপ্ত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: প্রবৃদ্ধির হার ১০ শতাংশে উন্নীতকরণ, দারিদ্র্যের হার ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া ইত্যাদি। লক্ষ্যমাত্রাসমূহ অর্জনের জন্য সরকার ২০১০- ২০২১ সময়ের জন্য একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।বাংলাদেশ সরকার গৃহীত প্রেক্ষিত পরিকল্পনাটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের জন্য একে দুটি পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনায় বিভক্ত করেছে। এর মধ্যে একটি হলো ষষ্ঠ পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা; অপরটি হলো সপ্তম পঞ্চ- বার্ষিক পরিকল্পনা। ১ জুলাই ২০১০ সাল থেকে ৩০ জুন ২০১৫ সাল পর্যন্ত হলো ষষ্ঠ পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনার সময় মেয়াদ। ষষ্ঠ পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনার অসমাপ্ত কাজগুলো সঠিকভাবে মূল্যায়ন করে তার ভিত্তিতে ও প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০১০-২০২১ এর প্রেক্ষাপটে সরকার সপ্তম পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এ পরিকল্পনার মেয়াদকাল হলো: ১ জুলাই ২০১৫ থেকে ৩০ জুন ২০২০ সাল পর্যন্ত।

উত্তর

বাংলাদেশ সরকার রূপকল্প-২০২১ এর সুনির্দিষ্ট ২২টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা এবং একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। বিশেষজ্ঞগণ আশাবাদ ব্যক্ত করেন এসব পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্পসমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা সম্ভব হবে। বিশেষজ্ঞগণের এ আশাবাদের আলোকে বাংলাদেশে উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্ব নিচে আলোচনা করা হলো।বাংলাদেশে যথেষ্ট প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদ থাকলেও তার সুষ্ঠু ব্যবহার হয় না। এ অবস্থায় উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে যথেষ্ট সময় নিয়ে এবং উপযুক্ত নীতি কৌশল অবলম্বনের দ্বারা সকল সম্পদের কাম্য ব্যবহার সম্ভব। বাংলাদেশের জনসংখ্যা অতিরিক্ত ও জন্মহার বেশি। প্রাপ্ত সম্পদের সাথেদারুণভাবে অসংগতিপূর্ণ হয়ে ওঠায় বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, যা উন্নয়নের গতিরোধ করছে। এ অবস্থায় জন্মহার হ্রাসের মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির দুটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো কৃষি ও শিল্প। বর্তমানে কৃষিতে আধুনিকীকরণের ছোঁয়া লাগলেও তা এখনো ব্যাপক হয়নি; অন্যদিকে, দেশে ভারী শিল্পের অভাবে শিল্পোন্নয়নের গতি মন্থর। এ অবস্থায় এ দুটি খাতের ধারাবাহিক ও দ্রুত উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন একান্ত জরুরি। বাংলাদেশে বিগত কয়েক দশক ধরে কৃষি ও শিল্প খাতে যে আধুনিকীকরণ ঘটেছে ও উৎপাদনশীলতা বেড়েছে তা প্রকৃত অর্থে এ যাবৎ গৃহীত কয়েকটি উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে।বাংলাদেশে বেকার সমস্যা প্রকট; জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই বেকার। দেশে আয় বৈষম্যও প্রকট। ফলে জনসাধারণের জীবনযাত্রার মানও বেশ নীচু। এ প্রেক্ষিতে বিনিয়োগ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হলে বেকারত্ব কমবে, কর্মসংস্থান বাড়বে, আয় বৈষম্য কমবে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। কিন্তু এ বিরাট ও ব্যয়বহুল কাজ সুচিন্তিত পরিকল্পনা ছাড়া করা সম্ভব নয়।উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে বিশেষজ্ঞদের আশাবাদ বাস্তবায়িত করার জন্য বাংলাদেশে উন্নয়ন পরিকল্পনার যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
HSCEconomics 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?

Dinajpur · 2017

  • নির্দেশকমূলক
  • কেন্দ্রীয়
  • বিক্রেন্দ্রীয়
  • প্ররোচিত

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-
i. কৃষি ঋণ বিতরণ
ii. কৃষি উপকরণ বিতরণ
iii. শস্য বহুমুখীকরণনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, iiও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?

Dinajpur · 2017

  • মূল্য সংযোজন কর (মূসক)
  • সরকারি ঋণ
  • আয়কর
  • আবগারি শুল্ক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?

Dinajpur · 2017

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?

Dinajpur · 2017

  • হাইটেক
  • সংরক্ষিত
  • নিয়ন্ত্রিত
  • অগ্রাধিকার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-
i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন
ii. অধিক বাণিজ্য
iii. অধিক কর্মসংস্থান নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, iiও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?

Dinajpur · 2017

  • দুই
  • তিন
  • চার
  • পাঁচ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

Dinajpur · 2017

  • ৩৭১৫
  • ৪৭১৫
  • ৫৭১৭
  • ৬৭১৫

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-i. কৃষি ঋণ বিতরণii. কৃষি উপকরকোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়নii. অধিক উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।