উদ্দীপকের পরিকল্পনাটি ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা । ষষ্ঠ পঞুবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য নিম্নোক্ত কৌশলসমূহ
অবলম্বন করা হয়-
১. কৃষি জমির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, শস্য বহুমুখীকরণ এবং কৃষি শ্রমিকদের আয় ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। খাদ্য নিরাপত্তা, খাদ্যে প্রবেশাধিকারকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ।
২. ম্যানুফেকচারিং ও সেবাখাতে ১০.৪ মিলিয়ন নতুন কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা করা হয়। GDP-তে এসময়ে ম্যানুফেকচারিং খাতের অবদান ২০% এ উন্নীত করা এবং কর্মসংস্থান ১৫% বৃদ্ধির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
৩. দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে শক্তি, জ্বালানি ও যোগাযোগ খাতে উন্নয়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
৪. রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে WTO-এর আওতায় বৈদেশিক বাণিজ্যের বাধাসমূহ অপসারণ, প্রতিবেশী, আঞ্চলিক দেশ ও জোটের সাথে সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারকরণের মাধ্যমে রপ্তানি বাজারে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৫. মানবসম্পদের দক্ষতা বৃদ্ধি নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান প্রভৃতির মাধ্যমে রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
৬. জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার হ্রাস করার বিভিন্ন কৌশল বাস্তবায়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৭. স্থানীয় সরকারব্যবস্থা, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, ইউনিয়ন পরিষদ প্রভৃতির অর্থনৈতিক স্বায়ত্তশাসন জোরদার করার উদ্যোগ
নেওয়া হয়েছে।
৮. ভূমি প্রশাসনের আধুনিকায়ন, ভূমির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, সুষ্ঠু নগরায়ণ কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
৯. সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বৃদ্ধি, নারীর বিরুদ্ধে সব ধরনের বৈষম্য বিলোপের অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।
১০. সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাকে অগ্রাধিকার প্রদান, পদোন্নতি, প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে সিভিল সার্ভিসকে উন্নত করার কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে।