উদ্দীপকে উল্লিখিত সময় দ্বারা এটি নির্ধারিত হয় যে, ইঙ্গিতপূর্ণ পরিকল্পনাটি বাংলাদেশের ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। এ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার বাস্তবায়নে সময়োপযোগী কৌশল অবলম্বন করা হয়। দ্রুতগতিতে দারিদ্র্য হ্রাসে ও প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে শক্তি, জ্বালানি ও যোগাযোগ খাতে উন্নয়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বাংলাদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাঠামোগত কৌশল অবলম্বন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এ উদ্দেশ্যে কর্মসংস্থান কাঠামো পরিবর্তনের মাধ্যমে নিম্ন উৎপাদনশীল কৃষি ও অ-আনুষ্ঠানিক সেবাখাত থেকে শ্রমশক্তি প্রত্যাহার করে উচ্চ উৎপাদনশীল ম্যানুফ্যাকচারিং খাত ও আনুষ্ঠানিক সেবাখাতে স্থানান্তর করার কৌশল নির্ধারণ করা হয়। নীতিমালা সংস্কারের মাধ্যমে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকালে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব (PPP) কর্মসূচির প্রতি জোর দেওয়া হয়। সুশাসন প্রতিষ্ঠার দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আইনের শাসন কার্যকর করা, ই- গভর্ন্যান্স চালু প্রভৃতির উদ্যোগ নেওয়া হয় রেমিটেন্স বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তার ওপর জোর প্রদান, অর্থনৈতিক স্বায়ত্তশাসন জোরদার করাকে কৌশল হিসেবে গ্রহণ করা হয় এ পরিকল্পনায়। ভূমি প্রশাসনের আধুনিকায়ন, ভূমির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, শস্য বহুমুখীকরণ, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষমতা সৃষ্টি প্রভৃতিকে ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সহায়ক কৌশল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।