উদ্দীপকের আলোকে পরবর্তী অবস্থার প্রেক্ষিতে পদ্মা সেতু নির্মাণে অর্থসংস্থানের সম্ভাব্য উৎসসমূহের বিশদ বিবরণ দাও ।
উত্তর: উদ্দীপকে পরবর্তী অবস্থার প্রেক্ষিতে পদ্মা সেতু নির্মাণে অর্থসংস্থানের সম্ভাব্য উৎস হলো অভ্যন্তরীণ উৎস যা অনেক ব্যাপক ও বিস্তৃত । আর্থিক ব্যবস্থপনায় অর্থায়নের গুরুত্ব অপরিসীম। উৎসের ভিত্তিতে অর্থয়নকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎসসমূহ অন্যতম। অর্থসংস্থানের জন্য যেসব দেশীয়/ অভ্যন্তরীণ উৎসের সহায়তা নেওয়া হয় সেগুলো এর অন্তর্গত। উদ্দীপকের আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, প্রাথমিক অবস্থায় পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ সরকার বিদেশি উৎস থেকে অর্থ সাহায্য নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে সরকার তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে 'পদ্মা সেতু' নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সরকারের এ সিদ্ধান্তে দেশের জনগণ গর্ববোধ করে। সরকারের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থসংস্থান করতে হবে।অভ্যন্তরীণ. সম্ভাব্য উৎসসমূহের মধ্যে রয়েছে মূলধন বাজার, অভ্যন্তরীণ সঞ্জয়, কর, বাণিজ্যিক ব্যাংক, সরকারি ঋণ, বিশেষায়িত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ইক্যুইটি মূলধন। মূলধন বাজারের ক্ষেত্রে যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে পুঁজি সংগ্রহ করে থাকে সেগুলো হলো— বাংলাদেশ শিল্পব্যাংক, বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা, বিমা প্রতিষ্ঠান, শেয়ারবাজার ইত্যাদি। অভ্যন্তরীণ সঞ্চয়ের মাধ্যমে পুঁজি গঠন ও বিনিয়োগ জোরদার করেও সরকার অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। এছাড়াও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর, ঋণপত্র, সরকারি বন্ড, প্রাইজবন্ড ইত্যাদি বিক্রি করে সরকারি ঋণ ইত্যাদিও অভ্যন্তরীণ উৎসের অন্তর্গত উদ্দীপকে নিজস্ব অর্থায়ন বলতে সরকার এসব সম্ভাব্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেই পদ্মা সেতু নির্মাণের অর্থসংস্থানের বিষয়টি বিবেচনা করেছেন ।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের আলোকে পরবর্তী অবস্থার প্রেক্ষিতে পদ্মা সেতু নির্মাণে অর্থ…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর