খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা নিশ্চিতকরণে সরকারের পদক্ষেপসমূহ মূল্যায়ন করো।
উত্তর: উদ্দীপকের প্রদত্ত তথ্যের আলোকে খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা নিশ্চিতকরণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ নিম্নে মূল্যায়ন করা হলো-পুষ্টিকর খাদ্যের জন্য উপযুক্ত খাদ্য প্রাপ্তির নিমিত্তে পর্যাপ্ত সম্পদ থাকাকেই খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা বলে। খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার OMS (Open Market Sale) কার্যক্রম পরিচালনা, কাজের বিনিময় খাদ্য (কাবিখা), দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্যশস্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এর ফলে বাংলাদেশে দরিদ্র লোকের সংখ্যা কমেছে। বর্তমানে প্রায় ২৩.২% লোক দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করে। উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, ১৯৮১-৮২ অর্থবছরে পল্লি-শহরে দরিদ্র লোক ছিল যথাক্রমে ৭৩.৮০% ও ৬৬.০০%। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে ২০১০-১১ সালে দরিদ্র লোকের সংখ্যা কমে পল্লিতে ৩৫.২০% এবং শহরে ২১.৩০% হয়েছে। এর ফলশ্রুতিতে মানুষের বিশেষ করে দরিদ্র লোকের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে।আবার, গত দুই দশক ধরে ভূমিহীন অদক্ষ দরিদ্র জনগণের জন্য সরকারের গৃহীত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বেশ প্রশংসিত হয়েছে। তবে, জনগণের খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা নিশ্চিতকরণে লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়নে ত্রুটি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও খাদ্যে ভেজাল পরিলক্ষিত হয়।উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা নিশ্চিতকরণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলেও সার্বিকভাবে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা নিশ্চিতকরণে সরকারের পদক্ষেপসমূহ মূল্যায়ন করো।
উদ্দীপক
Barisal · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর