উদ্দীপকের ঘটনা নিরাপদ খাদ্য ধারণাকে সমর্থন করে কি? তোমার মতামত দাও।
উত্তর: উদ্দীপকের ঘটনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, আজকাল বাংলাদেশে শিশুখাদ্য থেকে শুরু করে ফলমূল, শাক-সবজি, মাছ-মাংস, দুধ, মিষ্টি, প্যাকেটজাত খাদ্য ও ইফতারি সামগ্রীসহ প্রায় সব ধরনের খাবারে নানা রকম বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হয়। ফলে প্রায় সব ধরনের খাদ্যই ভেজালযুক্ত হয়ে পড়েছে। বর্তমানে আমরা প্রায় সবাই পেটে নানা রকম পীড়া, শরীর ক্রমেই দুর্বল ও কৃশ হয়ে যাওয়া, স্মরণশক্তি হ্রাস পাওয়া, শারীরিক ওজন অত্যন্ত কম বা বাড়া, চুল পড়া, মানসিক অবসাদ, অতিরিক্ত ক্লান্তি ইত্যাদি অসুখে ভুগছি। এসবই ভেজাল খাদ্যের কুফল বলা যায়। এরূপ অবস্থা আমাদেরকে এমন খাদ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, যা ভেজালমুক্ত অর্থাৎ নিরাপদ।যে খাদ্য উৎপাদনক্ষেত্র থেকে শুরু করে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত কোনোভাবেই কলুষিত (Contaminatiea) হয় না এবং স্বাস্থ্যের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়ায় না তাকে নিরাপদ খাদ্য বলা যায়। ভেজাল খাদ্যের কথা উঠলেই নিরাপদ খাদ্যের কথা মনে হয়।নিরাপদ খাদ্য মানুষকে সুস্থ-সবল রাখে ও তার আয়ুষ্কাল বাড়ায়। এ খাদ্য গ্রহণের ফলে তাই ব্যক্তি ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ঘটে। এর ফলে মানুষ জীবনের বেশিরভাগ সময় কর্মক্ষম থাকে ও তার উৎপাদনশীলতা বাড়ে। নিরাপদ খাদ্য পুষ্টি সমৃদ্ধি হয়। খাদ্য নিরাপদ করতে পারলে তাই তা থেকে পুষ্টি আহরণ সম্ভব হয়। যা দেহ ও মনের স্বাভাবিক বিকাশ ঘটায়। নিরাপদ খাদ্যের পুষ্টিমানের তারতম্য ঘটে না। যথাযথ তাপমাত্রা ও পরিবেশে খাদ্য সংরক্ষণ করলে তার পুষ্টিমান বজায় থাকে। খাদ্য নিরাপদ করতে পারলে তাই তা থেকে তাজা খাবারের মতোই পুষ্টি প্রাপ্তি সম্ভব। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনা নিরাপদ খাদ্য ধারণাকে সমর্থন করে।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের ঘটনা নিরাপদ খাদ্য ধারণাকে সমর্থন করে কি? তোমার মতামত দাও।
উদ্দীপক
Chittagong · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর