উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্রে ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি প্রকাশ পেয়েছে। উপকরণের দাম বৃদ্ধি হেতু উৎপাদন ব্যয় বাড়লে দামস্তর বৃদ্ধি পায়। এ ধরনের মুদ্রাস্ফীতিকে ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি বলে।
চিত্রে সামগ্রিক চাহিদা রেখা AD ও সামগ্রিক যোগান রেখা E, বিন্দুতে ভারসাম্য অর্জন করে ফলে দাম নির্ধারণ হয় OP, আর পরিমাণ নির্ধারিত হয় OY। আবার ব্যয় বৃদ্ধি পেলে যোগান হ্রাস পায় ফলে সামগ্রিক যোগান রেখা AS উপরের দিকে স্থানান্তরিত হয়, যা সামগ্রিক চাহিদা রেখার সাথে E, বিন্দুতে ভারসাম্য অর্জিত হয় এবং ভারসাম্য বিন্দু E2 অনুযায়ী দাম নির্ধারিত হয় OP2 ও পরিমাণ নির্ধারিত হয় OY2। পূর্বের ভারসাম্য দাম OP থেকে বর্তমান ভারসাম্য দাম OP, P, P2 পরিমাণ বেশি। সুতরাং দেখা যায়, সামগ্রিক চাহিদা অপরিবর্তিত থাকা অবস্থায় ব্যয় বৃদ্ধি জনিত কারণে মূল্য বৃদ্ধি পায় এভাবে মূল্য বৃদ্ধি পাওয়াকে ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি বলে। সুতরাং দেখা যায়, উদ্দীপকের চিত্রে ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি প্রকাশ পেয়েছে। এজাতীয় মুদ্রাস্ফীতি জন জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এতে বিপদে পড়ে যায় নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষজন। কারণ তাদের আয়স্তর তুলনামূলক অনেক কম হয়। এক্ষেত্রে সরকারকে বাজার ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য রেশনিংসহ বাজার ভর্তুকির ব্যবস্থা করতে হবে বলে আমি মনে করি।