উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলো নিচে আলোচনা করা হলো-
১. উৎপাদন ব্যয় হ্রাস করা: উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের দাম নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। বিদ্যুৎ এবং জ্বালানিতে ভর্তুকি দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ হ্রাস করা যেতে পারে।
২. সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়ন: সরবরাহ বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে স্থানীয় উৎপাদনে সহজ শর্তে ঋণ বা প্রণোদনা দিতে হবে। আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক হ্রাস করতে হবে, যাতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য সহজে সরবরাহ করা যায়।
৩. পরিবহন খরচ নিয়ন্ত্রণ: পরিবহন ব্যয় কমানোর জন্য সড়ক, রেলপথ এবং যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হবে। এর ফলে পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছাতে পারবে এবং সরবরাহ ব্যয় কমবে।
৪. জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখা: জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সরকারকে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো হলে উৎপাদন খরচ দীর্ঘমেয়াদে কমানো সম্ভব।
৫. বাজার নিয়ন্ত্রণ ও মজুত রোধ: পণ্যের কৃত্রিম সংকট এবং মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। বাজারে চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য নিশ্চিত করতে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।
সুতরাং, ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সঠিক নীতি, সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা সম্ভব।