সরকারের গৃহীত তিনটি পদক্ষেপ যথাক্রমে ঋণের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ, পরোক্ষ কর হ্রাস এবং সরকারি ব্যয় হ্রাস দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ঋণের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ: ঋণের প্রবাহ কমানোর মাধ্যমে বাজারে অতিরিক্ত টাকা সরবরাহ কমে। এতে ভোক্তাদের চাহিদা নিয়ন্ত্রিত হয় এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল থাকে। উদাহরণস্বরূপ, ঋণের সুদের হার বাড়ালে মানুষ কম ঋণ নেয়, ফলে অর্থনৈতিক চাহিদা কমে যায়।
পরোক্ষ কর হ্রাস: পরোক্ষ কর কমানোর ফলে উৎপাদকরা কম খরচে পণ্য সরবরাহ করতে পারে। ফলে বাজারে পণ্যের দাম কমে, যা. ভোক্তাদের জন্য সুবিধাজনক। এর মাধ্যমে পণ্যের মূল্যস্তর নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
সরকারি ব্যয় হ্রাস: সরকারি ব্যয় হ্রাসের মাধ্যমে সরকার বাজারে অতিরিক্ত অর্থ সরবরাহ কমিয়ে আনে। এটি চাহিদা এবং সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। এই পদক্ষেপগুলো কার্যকর হলেও, সরকারের উচিত কিছু অতিরিক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা। যেমন, কৃষি ও শিল্প খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা, সঠিক বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং ভোক্তা ও উৎপাদকদের মাঝে তথ্য আদান-প্রদানের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
এসব উদ্যোগ গৃহীত পদক্ষেপগুলোর কার্যকারিতা আরও বাড়াবে এবং দীর্ঘমেয়াদে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে