উদ্দীপকের DD রেখা D,D, হওয়ার পিছনে চাহিদা, বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টির কারণ রয়েছে।
সামগ্রিক যোগানের তুলনায় সামগ্রিক চাহিদা বেশি হলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। সামগ্রিক যোগানের তুলনায় সামগ্রিক চাহিদা বেশি হলে চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়, সাধারণত সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থের যোগান বৃদ্ধি, উদার ঋণ নীতি ইত্যাদি কারণে সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধি পায়। ফলে দামস্তর বৃদ্ধি পেয়ে চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকের চিত্রে সামগ্রিক চাহিদা রেখা DD স্থানান্তর হয়ে D₁D₁ হয়েছে। ফলে দামস্তর P₁ থেকে বৃদ্ধি P₂ হয়েছে। অর্থাৎ সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধির ফলে দামস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। যা চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতিকে নির্দেশ করে। চাহিদা জনিত মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টির একটি অন্যতম কারণ হলো সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি। উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। কিন্তু সরকারি ব্যয়ের অনুপাতে স্বল্পকালে উৎপাদন বাড়ে না। ফলে দামস্তর বৃদ্ধি পেয়ে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়।
অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সরকার অনেক সময় আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি করে থাকে। এ ঘাটতি পূরণের জন্য সরকার অতিরিক্ত মুদ্রা সৃষ্টি ও ঋণ গ্রহণ করে। এতে অর্থের যোগান বাড়লেও উৎপাদন সে অনুপাতে বাড়ে না। ফলে অর্থের যোগান বুদ্ধির মাধ্যমে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়ে মুদ্রাস্ফীতি দেখাদেয়। এছাড়া অনুৎপাদনশীল খাতের ব্যয় বৃদ্ধি ও উদার ঋণনীতির ফলে অর্থের যোগান বৃদ্ধির মাধ্যমে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়ে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। এছাড়া অনুৎপাদনশীল খাতের ব্যয় বৃদ্ধি ও উদার ঋণনীতির ফলে অর্থের যোগান বাড়ে। এতে মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়। তাছাড়া, রপ্তানি বৃদ্ধি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও ব্যয়যোগ্য আয় বৃদ্ধির কারণেও চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়।