মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য রাষ্ট্র আর্থিক ও রাজস্ব নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারে।
মৃদু মুদ্রাস্ফীতি দেশের জন্য মঙ্গলজনক হলেও বেশিমাত্রায় মুদ্রাস্ফীতি অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে বাধাস্বরূপ। তাই মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। মুদ্রাস্ফীতি মূলত তিনটি পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। যথা: আর্থিক পদ্ধতি, রাজস্ব পদ্ধতি ও প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।
উদ্দীপকে দেখা যায়, দ্রব্যসামগ্রীর দাম ক্রমাগত বাড়ার ফলে নিম্ন আয় ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষেরা বাজার দ্রব্যের দৌড়ে পিছিয়ে পড়ছেন। ফলে দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য তাদের ক্রয়সীমার বইরে চলে যাচ্ছে। এ মুদ্রাস্ফীতি সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধিজনিত, ব্যয় বৃদ্ধিজনিত, কাঠামোগত কারণে ঘটতে পারে। আর ঘাটতি বাজেটসহ আরও বিভিন্ন কারণে ণ মুদ্রাস্ফীতি ঘটতে পারে।
ঘাটতি বাজেট মুদ্রাস্ফীতির অন্যতম কারণ। এ ধরনের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার রাজস্বনীতি অনুসরণ করে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। সরকারি ব্যয় কমিয়ে বা করের পরিমাণ বৃদ্ধি করে সরকার সুষম বা উদ্বৃত্ত বাজেট তৈরি করে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার অতিরিক্ত অর্থের যোগান খোলাবাজারে ঋণপত্র বিক্রির মাধ্যমে কমাতে পারে। এটি সরকারের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের আর্থিক পদ্ধতি। তাছাড়া প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে দাম নিয়ন্ত্রণ ও রেশনিং, মজুরি নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদন বৃদ্ধি ও আমদানি বৃদ্ধির মাধ্যমে রাষ্ট্র মুদ্রাস্ফীতি সমস্যাটি সমাধান করতে পারে।