বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের কোনো একক পদ্ধতি যথেষ্ট কি? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি তথা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মূলত তিনটি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে। যথা- আর্থিক নীতি, রাজস্ব নীতি এবং প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। এগুলোর মধ্যে কোনো একক পদ্ধতি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট নয়।দেশের আর্থিক কর্তৃপক্ষ মুদ্রাস্ফীতিবিরোধী নীতি গ্রহণ করে দেশে অর্থ ও ঋণের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রার প্রচলন হ্রাস, ব্যাংক হার বৃদ্ধি, খোলা বাজারে ঋণপত্র বিক্রি, নগদ জমার অনুপাত বৃদ্ধি ইত্যাদি ঋণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির মাধ্যমে ঋণের পরিমাণ কমাতে পারে। এভাবে আর্থিক নীতির কার্যকর প্রয়োগ ঘটলে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসে। অন্যদিকে, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজস্ব নীতির অধীনে সরকার বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এসব ব্যবস্থার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সরকারি ব্যয় হ্রাস, কর হার বৃদ্ধি বা নতুন কর আরোপ, সরকারি ঋণ গ্রহণ, ভর্তুকি প্রত্যাহার, হস্তান্তর ব্যয় হ্রাস, বাধ্যতামূলক সঞ্চয় ইত্যাদি। আর্থিক ও রাজস্ব নীতি ছাড়াও আরও কিছু প্রত্যক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এগুলো হলো- উৎপাদন বৃদ্ধি আমদানি বৃদ্ধি, মজুরি নিয়ন্ত্রণ, দাম নিয়ন্ত্রণ, রেশনিং ও খোলা বাজারে বিক্রয়, ফটকা কারবার নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি। তবে এই সকল নীতিগুলোর কার্যকারিতা নির্ভর করে মুদ্রাস্ফীতির প্রকৃতির ওপর।উপরের বিশ্লেষণের প্রেক্ষিতে বলা যায়, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোনো একক পদ্ধতি কিছু ক্ষেত্রে কার্যকর হলেও তা যথেষ্ট নয়। তাই আর্থিক, রাজস্ব ও প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিত্রয়ের মধ্যে সমন্বয় দ্বারা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের কোনো একক পদ্ধতি যথেষ্ট কি? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্ল…
উদ্দীপক
Dhaka · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর