শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত গরিব, নিম্নবিত্ত, সীমিত আয়ের মানুষের ভোগান্তি থেকে উত্তরণের জন্য কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে?

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত গরিব, নিম্নবিত্ত, সীমিত আয়ের মানুষেরা চলমান উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির শিকার; তাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। এ শ্রেণির মানুষদেরকে ভোগান্তি থেকে উত্তরণের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। নিচে তা আলোচনা করা হলো:১. উৎপাদন বৃদ্ধি: দেশে বিদ্যমান উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিকারের অন্যতম উপায় হলো কৃষি, শিল্পসহ সব খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি। দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্মের উৎপাদন তথা যোগান যথেষ্ট বৃদ্ধি পেলে তা তখন বর্ধিত চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে। সে অবস্থায় দামস্তরের ঊর্ধ্বগতি রোধ হবে এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।২. উৎপাদন ব্যয় হ্রাস: উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পেলে উৎপাদিত পণ্যের দাম কমে যায়। তখন মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমে বাংলাদেশে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিকারের জন্য তাই উৎপাদন ব্যয় হ্রাস করা প্রয়োজন।৩. অর্থ ও ঋণের যোগান নিয়ন্ত্রণ: অর্থ ও ঋণের যোগানের বিপুল বৃদ্ধি বাংলাদেশে চলমান মুদ্রাস্ফীতির অন্যতম কারণ। তাই মুদ্রাস্ফীতির প্রতিকার করতে হলে বাংলাদেশে ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রার যোগান এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কর্তৃক সৃষ্ট ঋণের পরিমাণ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।৪. উপযুক্ত রাজস্ব নীতি গ্রহণ: বাংলাদেশে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির প্রতিকারার্থে বিদ্যমান আর্থিক পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাজস্ব নীতি গ্রহণ করতে হবে। এর অধীনে পরোক্ষ করের পরিবর্তে প্রত্যক্ষ করের আওতা ও হার বৃদ্ধি, অনুৎপাদনশীলও অপ্রয়োজনীয় খাতে সরকারি ব্যয় হ্রাস, ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারি ঋণ গ্রহণ, সুদের হার বৃদ্ধি দ্বারা সঞ্চয় বৃদ্ধি ইত্যাদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।৫. অন্যান্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: আর্থিক ও রাজস্ব পদ্ধতি ছাড়াও মুদ্রাস্ফীতি রোধের জন্য সরকার কিছু প্রত্যক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এগুলো হলো: দাম নিয়ন্ত্রণ ও রেশনিং, মজুরি নিয়ন্ত্রণ, ফটকা কারবার নিয়ন্ত্রণ, আমদানি বৃদ্ধি ইত্যাদি।সুতরাং বলা যায়, উপরিউল্লিখিত ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ ও তা যথাযথভাবে কার্যকর করলে দেশে বিরাজমান উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে এবং সাধারণ মানুষদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।

HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত গরিব, নিম্নবিত্ত, সীমিত আয়ের মানুষের ভোগান্তি থেকে …

উদ্দীপক

বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা সত্ত্বেও তা অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে গরিব, নিম্নবিত্ত, চাকরিজীবী ও সীমিত আয়ের মানুষ। অপরদিকে, লাভবান হচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।

Jessore · 2017

উত্তর

ভোক্তাদের ব্যয় সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে মূল্য সূচক নির্ণয়ের পদ্ধতিকে ভোক্তার মূল্য সূচক বা CPI বলে।

উত্তর

পিপিপির (Public Private Partnership-PPP) মাধ্যমে বিপুলায়তন পুঁজির সমাবেশ ঘটে। সৃষ্টি হয় বহুমুখী ও সম্প্রসারিত প্রতিষ্ঠান। এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত বিনিয়োগ কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এর ফলে একটি দেশে সংগত কারণেই কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায় এবং বেকারত্বের হার হ্রাস পায়।

উত্তর

বাংলাদেশে বিদ্যমান মুদ্রাস্ফীতি সমাজে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের ওপর বিভিন্ন প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশে গরিব, নিম্নবিত্ত, চাকরিজীবী ও সীমিত আয়ের লোকদের সংখ্যায় বেশি। বিগত বছরগুলোতে দ্রব্যমূল্য ক্রমাগতভাবে বাড়লেও তাদের আয় তেমন বাড়েনি। এ জন্য একদিকে তাদেরকে প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম কম ক্রয় করতে হচ্ছে; অন্যদিকে জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধি তথা জীবনমান উন্নত করে এমন অনেক দ্রব্য ও সেবার ভোগ বাদ দিতে হচ্ছে। এসবের ফলে তাদের জীবনযাত্রার মানে ক্রমাবনতি ঘটছে। তারা দুঃখ, কষ্ট ও হতাশার মধ্যে জীবনযাপন করছে।বাংলাদেশে যারা সরাসরি উৎপাদনের সাথে জড়িত তারা যে দামে উৎপাদনের উপকরণসমূহ ক্রয় করছে তার চেয়ে অনেক বেশি দামে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবাদি বিক্রয় করছে। ফলে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির দরুন তারা লাভবান হচ্ছে। তাছাড়া, ব্যবসায়ী শ্রেণি দ্রব্যাদি কম দামে ক্রয় করে সাধারণ ক্রেতাদের কাছে অনেক বেশি দামে বিক্রয় করছে।বিদ্যমান এ মুদ্রাস্ফীতির জন্য তারাও যথেষ্ট লাভবান হচ্ছে। যারা ফটকা কারবারের সাথে জড়িত তারা কম দামে মালামাল ক্রয় করে মজুদ করছে; পরে সুযোগ মতো বেশি দামে বিক্রয় করে প্রচুর মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে। তাই সব মিলিয়ে লাভবান হচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।এভাবে দেখা যায়, বাংলাদেশে চলমান মুদ্রাস্ফীতি গরিব, নিম্নবিত্ত, চাকরিজীবী ও সীমিত আয়ের মানুষদেরকে বিরূপভাবে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদেরকে অনুকূলভাবে প্রভাবিত করছে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত গরিব, নিম্নবিত্ত, সীমিত আয়ের মানুষেরা চলমান উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির শিকার; তাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। এ শ্রেণির মানুষদেরকে ভোগান্তি থেকে উত্তরণের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। নিচে তা আলোচনা করা হলো:১. উৎপাদন বৃদ্ধি: দেশে বিদ্যমান উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিকারের অন্যতম উপায় হলো কৃষি, শিল্পসহ সব খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি। দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্মের উৎপাদন তথা যোগান যথেষ্ট বৃদ্ধি পেলে তা তখন বর্ধিত চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে। সে অবস্থায় দামস্তরের ঊর্ধ্বগতি রোধ হবে এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।২. উৎপাদন ব্যয় হ্রাস: উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পেলে উৎপাদিত পণ্যের দাম কমে যায়। তখন মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমে বাংলাদেশে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিকারের জন্য তাই উৎপাদন ব্যয় হ্রাস করা প্রয়োজন।৩. অর্থ ও ঋণের যোগান নিয়ন্ত্রণ: অর্থ ও ঋণের যোগানের বিপুল বৃদ্ধি বাংলাদেশে চলমান মুদ্রাস্ফীতির অন্যতম কারণ। তাই মুদ্রাস্ফীতির প্রতিকার করতে হলে বাংলাদেশে ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রার যোগান এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কর্তৃক সৃষ্ট ঋণের পরিমাণ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।৪. উপযুক্ত রাজস্ব নীতি গ্রহণ: বাংলাদেশে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির প্রতিকারার্থে বিদ্যমান আর্থিক পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাজস্ব নীতি গ্রহণ করতে হবে। এর অধীনে পরোক্ষ করের পরিবর্তে প্রত্যক্ষ করের আওতা ও হার বৃদ্ধি, অনুৎপাদনশীলও অপ্রয়োজনীয় খাতে সরকারি ব্যয় হ্রাস, ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারি ঋণ গ্রহণ, সুদের হার বৃদ্ধি দ্বারা সঞ্চয় বৃদ্ধি ইত্যাদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।৫. অন্যান্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: আর্থিক ও রাজস্ব পদ্ধতি ছাড়াও মুদ্রাস্ফীতি রোধের জন্য সরকার কিছু প্রত্যক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এগুলো হলো: দাম নিয়ন্ত্রণ ও রেশনিং, মজুরি নিয়ন্ত্রণ, ফটকা কারবার নিয়ন্ত্রণ, আমদানি বৃদ্ধি ইত্যাদি।সুতরাং বলা যায়, উপরিউল্লিখিত ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ ও তা যথাযথভাবে কার্যকর করলে দেশে বিরাজমান উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে এবং সাধারণ মানুষদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।
HSCEconomics 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?

Dinajpur · 2017

  • নির্দেশকমূলক
  • কেন্দ্রীয়
  • বিক্রেন্দ্রীয়
  • প্ররোচিত

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-
i. কৃষি ঋণ বিতরণ
ii. কৃষি উপকরণ বিতরণ
iii. শস্য বহুমুখীকরণনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, iiও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?

Dinajpur · 2017

  • মূল্য সংযোজন কর (মূসক)
  • সরকারি ঋণ
  • আয়কর
  • আবগারি শুল্ক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?

Dinajpur · 2017

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?

Dinajpur · 2017

  • হাইটেক
  • সংরক্ষিত
  • নিয়ন্ত্রিত
  • অগ্রাধিকার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-
i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন
ii. অধিক বাণিজ্য
iii. অধিক কর্মসংস্থান নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, iiও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?

Dinajpur · 2017

  • দুই
  • তিন
  • চার
  • পাঁচ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

Dinajpur · 2017

  • ৩৭১৫
  • ৪৭১৫
  • ৫৭১৭
  • ৬৭১৫

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-i. কৃষি ঋণ বিতরণii. কৃষি উপকরকোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়নii. অধিক উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।