উদ্দীপকে উল্লিখিত উপায় ব্যতীত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার আর কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে আরিফের দেশে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্দীপকে যেসব পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে তাছাড়াও সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক আরও কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। খোলাবাজারে ঋণপত্র বিক্রয়: মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক খোলা বাজারে ঋণপত্র বিক্রয় করলে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথা জনগণের তরল অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা পড়ে, ফলে সামগ্রিক চাহিদা (AD) হ্রাস পায়। নগদ রিজার্ভ অনুপাতের পরিবর্তন: বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নগদ রিজার্ভ বৃদ্ধির আইনগত বিধান প্রয়োগ করলে অর্থনীতিতে বিনিয়োগ ও ভোগপ্রবণতা হ্রাস পায় এবং ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসহেতু মূল্যস্তর হ্রাস পায়। রাজস্বনীতি: রাজস্বনীতি সরকারের আয়-ব্যয় নীতির সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। সংকোচনমূলক রাজস্বনীতির মাধ্যমে ভোগ ব্যয় ও বিনিয়োগ হ্রাস করে এবং নিজস্ব ব্যয় কমিয়ে চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আমদানি বৃদ্ধিকরণ: বিদেশ থেকে দ্রব্যসামগ্রী আমদানির মাধ্যমে চাহিদার ওপর অতিরিক্ত চাপ হ্রাস করতে পারলে চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পায়। বাধ্যতামূলক সঞ্চয়: জনগণকে বাধ্যতামূলক সঞ্চয়ে বাধ্য করতে পারলে হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ কমে যায়। তাহলে চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। অর্থাৎ সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক সঠিক আর্থিক ও রাজস্বনীতির মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত উপায় ব্যতীত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্য…
উদ্দীপক
Mymensingh · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর