এরূপ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কোন কোন নীতি গ্রহণ করতে পারে?
উত্তর: উদ্দীপকে সৃষ্ট মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আর্থিক নীতি, রাজস্বনীতি ও প্রত্যক্ষ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। বিভিন্ন কারণে দ্রব্যের দামস্তর বৃদ্ধি পেতে পারে। কখনো চাহিদা বৃদ্ধিজনিত কারণে দামস্তর বৃদ্ধি পায়। আবার কখনো উৎপাদন হ্রাসজনিত কারণে কখনো মজুতদারি ও চোরাকারবারির কারণে দামস্তর বৃদ্ধি পায়। ফলে মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ কারণগুলো দূর করলে মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পায়। উদ্দীপকের চিত্রে সামগ্রিক যোগান স্থির থেকে দ্রব্যের সামগ্রিক চাহিদা D₁ থেকে D₂ তে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দাম P₁ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে P₂ হয়েছে। এটি চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি। এ ধরনের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আর্থিক নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অর্থের যোগান বৃদ্ধির ফলে চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়। তাই চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক আর্থিক নীতি গ্রহণ করতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যাংক হার ও রিজার্ভ অনুপাত বৃদ্ধি এবং ঋণপত্র বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্থের যোগান হ্রাস করা যায়। এছাড়া সরকার রাজস্বনীতির আওতায় সরকারি ব্যয় হ্রাস, কর বৃদ্ধি, সরকারি ঋণের মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তাছাড়া উৎপাদন বৃদ্ধি, দাম ও মজুতদারি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার আর্থিক নীতি, রাজস্বনীতিসহ কিছু প্রত্যক্ষ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
এরূপ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কোন কোন নীতি গ্রহণ করতে পারে?
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর