আরিফ স্যারের বক্তব্যে আমদানি বিকল্প শিল্পের যে ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা যায়, সেগুলো হলো কৃষি উপকরণ, যন্ত্রপাতি, কৃষিজ পণ্যের যন্ত্রাংশ, ইঞ্জিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন। এসব শিল্প স্থাপন করলে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। এ ক্ষেত্রগুলোতে সম্ভাবনা চিহ্নিত করার কারণ:
১. কৃষি উপকরণ ও যন্ত্রপাতি: বাংলাদেশ একটি কৃষিভিত্তিক দেশ হওয়ায় কৃষি যন্ত্রপাতির চাহিদা বিশাল। এসব যন্ত্রপাতি স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করলে কৃষকের উৎপাদন খরচ কমবে।
২. ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ: যন্ত্রাংশ আমদানির পরিবর্তে দেশেই উৎপাদন সম্ভব হলে তা শিল্পায়ন প্রক্রিয়াকে গতিশীল করবে।
৩. অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য: যেমন সার, কীটনাশক বা কৃষি প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্র তৈরির মাধ্যমে দেশীয় চাহিদা পূরণ করে রপ্তানি বাজারও সম্প্রসারণ করা সম্ভব।
সুতরাং, আরিফ স্যারের ইঙ্গিত্ব অনুযায়ী আমদানি বিকল্প শিল্পের ক্ষেত্রে কৃষি ও শিল্পসম্পর্কিত প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনে বিনিয়োগ করলে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ লাভবান হতে পারে।