উদ্দীপকে প্রদর্শিত জনসংখ্যা ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির হারের সম্পর্কটি জনসংখ্যা সম্পর্কিত ম্যালথাসের তত্ত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ম্যালথাসের তত্ত্বের মূলভিত্তি হলো জনসংখ্যা অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায় এবং জীবনধারণের উপকরণ খাদ্য বৃদ্ধি পায় গাণিতিক হারে। এক্ষেত্রে জ্যামিতিক ও গাণিতিক হারে বৃদ্ধির অর্থ হলো জনসংখ্যা বাড়ে ১, ২, ৪, ৮, ১৬, ৩২ ও ৬৪ ইত্যাদি হারে এবং খাদ্য বাড়ে ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬... ইত্যাদি হারে তার মতে প্রতি ২৫ বছর অন্তর জনসংখ্যা ও খাদ্য উৎপাদনের মধ্যে এ পরিবর্তন দেখা যাবে। তিনি মনে করেন, আর্থিক সামর্থ্যের চেয়ে জনসংখ্যা বেশি হলে সার্বিক উন্নতি ও উন্নয়ন হবে না। সীমিত সম্পদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা অর্থনৈতিক সুখকে নস্যাৎ করে দেয়। এক্ষেত্রে দেখা যায়, জনসংখ্যার পরিমাণ যে হারে বাড়ছে, তাতে অদূর ভবিষ্যতে খাদ্য সংকট সৃষ্টি হবে এবং দেশে আর্থিক বেকারত্বও দেখা দিতে পারে। উদ্দীপকের দেশটিতে দেখা যায় প্রতি ২৫ বছর পর পর জনসংখ্যা জ্যামিতিক হাড়ে (১০, ২০, ৪০, ৮০, ১৬০) বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং খাদ্য উৎপাদন গাণিতিক হারে (১০, ২০, ৩০, ৪০, ৫০) বৃদ্ধি পাচ্ছে যা জনসংখ্যার মালথাসীয় চক্রকে নির্দেশ করে।