উদ্দীপকে উল্লেখিত তৈরি পোশাক শিল্প তথা গার্মেন্টস শিল্প বাংলাদেশ কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ খাত।
বাংলাদেশে পোশাক শিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রসারময় শিল্প শাখা। পোশাক শিল্প বাংলাদেশে একটি মৌলবান উদ্যোগ, শিল্প এবং ব্যবসায় প্রচুর লোকদের জীবিকা উৎপাদনের এবং চাকরি সৃষ্টির মাধ্যমে মহিলা এবং পুরুষ উভয় বা অনেক লোকদের কাজের উদ্যোগ হয়েছে। জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ছাড়াও তৈরি পোশাক শিল্প সাড়ে ২২ লাখ নারী শ্রমিকের জীবনযাত্রার লক্ষণীয় পরিবর্তন সাধন করেছে এবং তারা অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।
উদ্দীপকে মি. রহমান পোশাক শিল্প পরিচালনা করেন। এই শিল্প শুধু অর্থনীতি সমৃদ্ধ করছে না বৈদেশিক মুদ্রা ভান্ডার কে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি ৪৪ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান করছে। পরোক্ষভাবে ৪ কোটি মানুষ এই পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। যার ৫৫% ই নারী। যা নারীর ক্ষমতায়নেও ভূমিকা রাখছে। এছাড়া ২০০৮ থেকে ২০০৯ অর্থবছরে অপ্রচলিত বাজারগুলোয় আমাদের তৈরি পোশ রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৪৮.৮৭ মিলিয়ন ডলার। ২০২২ থেকে ২০২৩ অর্থবছরে তা ৮. ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে নতুন কয়েকটি বাজারের ওপর ভর করে দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য পোশাক খাত থেকে আয় আগের বছরের চেয়ে ১০% বেড়েছে।
বাংলাদেশে পোশাক শিল্পের ভূমিকা একইভাবে ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক উপাধিত হলেও, এটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ রয়েছে পোশাক শৃংগার, উৎপাদন এবং রপ্তানি মুখী কার্যক্রমে। কাউন্টার আট ও রিটেইল ব্র্যান্ডের পোশাক, হাতে তৈরি শিল্পের পোশাক, এবং প্রতিষ্ঠানের আধুনিক উদ্যোগের মাধ্যমে পোশাক শিল্প বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক উৎপাদন হিসেবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের শ্রমিকদের মানব সম্পদে পরিণত করছে এবং জনসম্পদে রূপান্তরিত হচ্ছে।