উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' দেশের অর্থনীতি তরান্বিত করতে উল্লিখিত শিল্প বা চামড়া শিল্পের বিকাশ আবশ্যক।
চামড়া শিল্পের বিকাশ সাধনে যে ব্যবস্থাগুলো আবশ্যিকভাবে গ্রহণ করতে হবে তা হলো পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যবস্থা করতে হবে, ট্যানারী শিল্পনগরীর সংখ্যা বাড়াতে হবে, বেশি বেশি মূলধন বিনিয়োগ করতে হবে, পর্যাপ্ত কাঁচামালের ব্যবস্থা করতে হবে, শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তুলতে হবে। এ শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হবে যাতে স্বল্প সময়ে অধিক পরিমাণে শিল্পজাত পণ্য উৎপাদন করা যায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে কাঁচা চামড়া পাওয়া গেলেও বিভিন্ন সমস্যার কারণে এ শিল্পের তেমন উন্নয়ন হচ্ছেনা। এ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যহত হচ্ছে। যদি তারা সঠিকভাবে এ শিল্পের প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্রয়োজনীয় রাসায়নিক দ্রব্যের যোগান, গুদামজাতকরণ, মূলধন সরবরাহ ইত্যাদি ব্যবস্থাগুলো করতে পারে তাহলে তাদের পণ্যের গুণগত মান বাড়বে এবং বাজারে এ শিল্পের চাহিদা বেড়ে যাবে।
এ শিল্পের বৈদেশিক চাহিদা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিদেশি ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করতে হবে। আর এজন্য প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। তাহলে বিশ্ববাজারে এর চাহিদা বাড়বে। এই শিল্প যাতে পাচারকারীদের কবলে না পড়ে সেদিকেও দৃষ্টি দিতে হবে। মূলধনের সমস্যা কাটাতে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ সুবিধা নিতে হবে। উপরে উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে চামড়া শিল্প হয়ে উঠতে পারে একটি সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে। যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।