উদ্দীপকে উল্লিখিত সাদিকের গড়ে তোলা শিল্প কুটিরশিল্প বলা হয়। নিজ গৃহে পারিবারিক ভিত্তিতে স্বল্প মূলধন এবং সহজলভ্য কাঁচামাল ও ছোটখাটো সাধারণ যন্ত্রপাতির সাহায্যে যে শিল্প পরিচালিত হয়, তাই কুটির শিল্প। বাংলাদেশ শিল্পনীতি-২০১০ অনুযায়ী, জমি ও কারখানা ভবন ছাড়া স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন খরচসহ ৫ লক্ষ টাকার নিচে ব্যয় হয় এবং পারিবারিক সদস্যদের নিয়ে সর্বাধিক ১০ জন শ্রমিক কাজ করে এমন কারখানাকে কুটির শিল্প বলে।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, সাদিক সাহেব নিজ বাড়িতে বসে একটি ছোট, কারখানা গড়ে তোলেন। যার শ্রমিক সংখ্যা ৭ জন ও তারা পরিবারের সদস্য। এ শিল্পে মূলধনের পরিমাণ ৩ লক্ষ টাকা এর শ্রমিকরা বেশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নয়। যা ওপরে বর্ণিত কুটির শিল্পের বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ শিল্প সাধারণত উদ্যোক্তার গৃহেই গড়ে ওঠে এবং পারিবারিক পরিবেশে পরিচালিত হয়। হস্তচালিত তাঁতশিল্প, মৃৎশিল্প, বাঁশ ও বেতশিল্প, কাসা-পিতলের শিল্প, কাঠশিল্প, শঙ্খ ও ঝিনুক শিল্প, নারকেল ছোবড়া শিল্প, 'চরকা শিল্প ইত্যাদি হলো বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য কুটির শিল্প।