উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিটি সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্ব কৌশলকে নির্দেশ করে। উল্লিখিত নীতির যথার্থতা মূল্যায়ন করা হলো-
১. ব্যাপক পুঁজির সরবরাহ: বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশসমূহের দ্রুত উন্নয়ন সাধনে ব্যাপক পুঁজির প্রয়োজন রয়েছে যা এককভাবে সরকার বা বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে সম্পাদন করা দুরূহ। এরূপ প্রেক্ষাপটে সরকারের PPP উদ্যোগ যথার্থ বলা যায়।
২. ভৌত অবকাঠামোর টেকসই উন্নয়ন: দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন বিশেষ করে যাতায়াত ও যোগাযোগ খাত, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ব্যাপক এবং স্থায়ী উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনীতির অপরাপর খাতসমূহও দ্রুত সমৃদ্ধি লাভ করবে। উন্নয়নের ভিত মজবুত হবে।
৩. দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প গ্রহণ: স্থায়ী এবং নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের যৌক্তিকতা যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। এরূপ প্রকল্প সরকার PPP খাতে হস্তান্তর করে উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করেছে।
৪. প্রকল্প ব্যয়: PPP এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত প্রকল্পে যথাযথ তদারকি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকে বিধায় প্রকল্প ব্যয় ন্যূনতম হয়।
৫. কর্মসংস্থান: পিপিপির আওতায় প্রতিষ্ঠিত বিনিয়োগ কর্মকান্ডে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। দেশে বেকারত্বের হার হ্রাস পায়।
৬ . অর্থনৈতিক উন্নয়ন : পিপিপি'র আওতায় দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি 7 পেলে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদন বৃদ্ধি, জাতীয় আয় বৃদ্ধি, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সূচিত হয়।
সুতরাং দেখা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রকল্প বাস্তবায়নের নীতি তথা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব কৌশল বাংলাদেশের শিল্পায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।