উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম শিল্পটি কুটিরশিল্প এবং দ্বিতীয় শিল্পটি ক্ষুদ্র শিল্প। নিচে শিল্প দুটির ধরন উল্লেখ করা হলো-
অল্পশিক্ষিত ও প্রশিক্ষণবিহীন সদস্যরা জীবনধারণের তাগিদে পরিবারের স্বল্প মূলধন ও সহজলভ্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ঘরে বসে বিভিন্ন দ্রব্য উৎপাদন করলে তাকে কুটিরশিল্প বলে। বাঁশ ও বেতের কাজ, হাঁড়ি-পাতিল, টব, মৃৎশিল্প, নকশি কাঁথা, দা, কুড়াল, বিড়ি, সাবান, মোমবাতি ইত্যাদি এদেশের উল্লেখযোগ্য কিছু কুটিরশিল্প।
অন্যদিকে ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ক্ষেত্রে 'ক্ষুদ্রশিল্প (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানাভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩১-১২০ জন শ্রমিক কাজ করে। উদ্দীপকে সাদিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা মিলে নকশি কাঁথা তৈরি করে। এভাবে ঘরোয়া পরিবেশে পরিবারের সদস্য নিয়ে গঠিত শিল্পকে কুটিরশিল্প বলা হয়।
পরবর্তীতে তারা একটি কারখানা তৈরি করে যার মূলধনের পরিমাণ ৫ কোটি। যা ক্ষুদ্র শিল্পকে নির্দেশ করে।