উদ্দীপকে বর্ণিত কৃষিঋণ গ্রহণের উৎসসমূহ হলো প্রাতিষ্ঠানিক উৎস এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস।
কৃষিঋণ বলতে কৃষিকাজ পরিচালনা ও সম্প্রসারণের জন্য কৃষকদের প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তাকে বোঝায়। এই ঋণ মূলত দুই ধরনের উৎস থেকে সংগ্রহ করা যায়: প্রাতিষ্ঠানিক এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক। প্রাতিষ্ঠানিক উৎসগুলো সাধারণত সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকে, যেখানে সুদের হার তুলনামূলকভাবে কম এবং ঋণ গ্রহণ প্রক্রিয়া সুসংগঠিত। অন্যদিকে, অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎসগুলো সাধারণত ব্যক্তিগত বা অনানুষ্ঠানিক খাত থেকে আসে, যেখানে সুদের হার অনেক বেশি হতে পারে এবং কোনো লিখিত নিয়মকানুন থাকে না।
উদ্দীপকে জনাব 'ক' আধুনিক কৃষিসামগ্রী ক্রয়ের জন্য মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রথমে একটি ব্যাংকে গেলেন। ব্যাংক হলো একটি প্রাতিষ্ঠানিক উৎস, যেখানে ঋণ গ্রহণ প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চলে এবং সুদের হার তুলনামূলকভাবে কম থাকে। কিন্তু ঋণ গ্রহণ প্রক্রিয়া জটিল ও সময়সাপেক্ষ হওয়ায় তিনি স্থানীয় মহাজনের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করলেন। মহাজন হলো একটি অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস, যেখানে ঋণ গ্রহণ প্রক্রিয়া দ্রুত হলেও সুদের হার অত্যন্ত উচ্চ হয় এবং অনেক সময় কৃষকরা শোষণের শিকার হন।