দেশের স্বনির্ভরতা অর্জনে উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্প তথা আমদানি বিকল্প শিল্পের বিকাশের যথার্থতা নিম্নে মূল্যায়ন করা হলো।
আমদানি বিকল্প শিল্পায়ন বলতে, অন্য দেশ হতে পণ্যের আমিদানি কমিয়ে উক্ত পণ্যসামগ্রী নিজ দেশেই উৎপাদন করাকে বোঝায়। এই শিল্পের মাধ্যমে একটি দেশ বৈদেশিক বাণিজ্যের ঘাটতি ব্যবধান কমিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের মাধ্যমে উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হতে পারে। তাছাড়া এ শিল্পের বিকাশ দেশের জন্য আর্থিক কল্যাণ বয়ে আনবে। কেননা এই শিল্প প্রতিষ্ঠার ফলে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ তথা আমদানি হ্রাস পাবে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও দেশীয় বাজার প্রসারের সাথে সাথে দেশীয় শিল্প রক্ষা পাবে। এবং উক্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি দেশ নির্ভরশীলতা পরিহার করে স্ব-নির্ভরতা অর্জন করবে। আর এই স্ব-নির্ভরতা অর্জনে এ শিল্পের বিকাশের প্রয়োজনীয়তা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ শিল্পের বিকাশ ঘটাতে পারলে এবং দেশেই প্রয়োজনীয় কাচামাল ও দ্রব্যসামগ্রীর যোগান দিতে পারলে দেশের মধ্যেই আমদানিকৃত সকল পণ্য উৎপাদন সম্ভব হবে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয়,বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস,কর্মসংস্থান বৃদ্ধি,শিল্পায়ন, আত্মনির্ভরশীলতা এবং দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনসহ আরো অনেক উন্নয়নমূলক ও আর্থসামাজিক গতিপথ তরান্বিত হবে।
সুতরাং দেশের স্ব-নির্ভরতা, দেশীয় শিল্পের প্রসার,এবং দেশের যাবতীয় আর্থসামাজিক উন্নয়নে আমদানি বিকল্প শিল্প বিকাশের গুরুত্ব অপরিসীম।