উদ্দীপকে উল্লেখিত পোশাক শিল্পের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। দেশের অভ্যন্তরে কোন শিল্পের উপকরণ সহজলভ্য হলে ঐ শিল্প সহজেই বিকশিত হতে পারে। এ উপকরণগুলোর মধ্যে শিল্পের কাঁচামাল, শ্রম উপকরণ, মূলধন ইত্যাদি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ উপকরণগুলো সহজলভ্য হলে শিল্পের উৎপাদন খরচ হ্রাস পায়। ফলে সহজেই তা বিকশিত হতে পারে । এতে শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে উজ্জ্বল করে। উদ্দীপকের শার্ট তৈরির কারখানায় তৈরিকৃত পোশাক জাপান, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনসহ আরও বেশ কিছু দেশে সমাদৃত। এ কারখানার সাথে সাঞ্জস্যপূর্ণ আরো ৪১ টি কারখানা দেশে বিদ্যমান। অর্থাৎ শিল্পটিতে উৎপন্ন দ্রব্যসামগ্রীর বৈশ্বিক চাহিদা রয়েছে, যা শিল্পটিকে বিকশিত করছে। বাংলাদেশ জনবহুল দেশ হাওয়ায় সস্তায় প্রচুর শ্রমিক পাওয়া সম্ভব। আবার এদেশে বিপুল বেকার নারী শ্রমিকদের সহজেই তৈরি পোশাক শিল্পে নিয়োগ করা যায় । এর মাধ্যমে পোশাক শিল্পের উৎপাদন খরচ কমবে এবং উৎপাদন বাড়বে । ফলে অধিক পরিমাণে তৈরি পোশাক বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে । এছাড়া সরকার পোশাক শিল্পের উন্নয়ন সহায়ক নীতি ও বিদেশীর দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করছে। ফলে ভবিষ্যতে এ শিল্পের উৎপাদন ও রপ্তানির পরিমাণ বহুগুণে বাড়বে। আবার বর্তমানে এ শিল্পের ব্যকওয়ার্ড নিংকের ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠছে যা উক্ত শিল্পের বিকাশকে তরান্বিত করবে। সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশে তৈরি পোশাক একটি উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় শিল্প।