উদ্দীপকে বর্ণিত জনসংখ্যা তত্ত্বটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কতটুকু প্রাসঙ্গিক? আলোচনা কর।
উত্তর: ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বের আলোকে বাংলাদেশকে পর্যবেক্ষণ করলে আমরা যেসব বৈশিষ্ট্য দেখতে পাই তা হলো জনসংখ্যা ও খাদ্য বৃদ্ধিতে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন অপেক্ষা জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অনেক বেশি। বর্তমানে এদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭% এবং খাদ্য উৎপাদনের হার মাত্র ০.৬৫%। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩৮৯.৯৭ লক্ষ মেট্রিক টন। কিন্তু উৎপাদন হয় ৩৮৪.১৯ লক্ষ মেট্রিন টন। বাংলাদেশে একজন লোকের ভরণপোষণের জন্য ১.২ হতে ১.৮০ একর জমির প্রয়োজন। অথচ মাথাপিছু জমি রয়েছে মাত্র ০.২৫ একর। বাংলাদেশে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে প্রায়ই দুর্ভিক্ষ, মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি দেখা যায়, যা ম্যালথাসের তত্ত্বকে সত্যতা দান করে। অনাহার, রোগব্যাধি, মহামারি বাংলাদেশের জনগণের নিত্য সহচর। বাংলাদেশের জন্মহার ও মৃত্যুহার উভয়ই অধিক। প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার ১৮.৯ এবং স্থূল মৃত্যুহার ৫.২ জন। বাংলাদেশে বর্তমান মোট শ্রমশক্তির এক- তৃতীয়াংশ বেকার। বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় মাত্র ১৭৫২ মার্কিন ডলার। ফলে জীবন যাত্রার মান অত্যন্ত নিম্ন। এখনও প্রায় ৩১.৫ ভাগ লোক দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে প্রদত্ত ম্যালথাসীয় তত্ত্বটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অনেকটা কার্যকর। কারণ এদেশে জনসংখ্যা অনেক বেশি।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে বর্ণিত জনসংখ্যা তত্ত্বটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কতটুকু প্রাসঙ…
Comilla · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর