উদ্দীপকে জনসংখ্যা বিষয়ক থমাস রবার্ট ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্ব প্রতিফলিত হয়েছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো: ম্যালথাসের তত্ত্বের মূল বক্তব্য হলো জনসংখ্যা অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায় এবং জীবনধারণের উপকরণ খাদ্য পায় বৃদ্ধি পায় গাণিতিক হারে। এক্ষেত্রে ১,২,৪,৮,১৬,৩২ ldots. হলো জ্যামিতিক হার এবং ১,২,৩,৪,৫,৬ ldots..হলো গাণিতিক হার ইত্যাদি হারে বৃদ্ধি পাওয়া। উদ্দীপকে কয দেশে ১৯০০ সালে জনসংখ্যা ছিল ১০ কোটি। তখন দেশটিতে খাদ্য উৎপাদন ছিল ১ লক্ষ মেট্রিক টন। ১৯২৫ সালে জনসংখ্যা ২০ কোটি খাদ্য উৎপাদন হয় ২ লক্ষ মেট্রিক টন। ১৯৫০ সালে জনসংখ্যা ও খাদ্য উৎপাদন হয় যথাক্রমে ৪০ কোটি ও ৩ লক্ষ মেট্রিক টন। এই সম্পর্ক ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভূমির যোগান সীমাবদ্ধ হওয়ায় খাদ্য উৎপাদন জ্যামিতিক হারে বাড়ানো সম্ভব হয় না। ফলে জনসংখ্যা যে হারে বারে খাদ্য উৎপাদন সেই হারে বাড়তে পারে না। জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে প্রত্যেক দেশেই প্রতি ২৫ বছরে জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়। কিন্তু জমিতে ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উৎপাদনবিধি কার্যকর হওয়ায় খাদ্য উৎপাদন দ্রুত বাড়ে না। ফলে এক সময় আসে যখন জনসংখ্যার পরিমাণ খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণকে ছাড়িয়ে যায় ও জনাধিক্য দেখা দেয়। সুতরাং বলা যায় যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত জনসংখ্যা বিষয়ক থমাস রবার্ট ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্ব প্রতিফলিত হয়েছে।