খাদ্য, সংরক্ষণে [গণিত] যৌগের জলীয় দ্রবণের কোনো ভূমিকা আছে কি? বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকের [গণিত] যৌগটি [গণিত] , যার [গণিত] জলীয় দ্রবণ ভিনেগার নামে পরিচিত। খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের ভূমিকা অনেক। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ভিনেগার অম্লীয় বলে খাদ্যদ্রব্যে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধির হার হ্রাস করে খাদ্য সংরক্ষণে সাহায্য করে। ভিনেগার যোগে খাদ্য সংরক্ষণের পদ্ধতিকে 'পিক্সিং' (pickling) বলে। এজন্য খাদ্য হতে পানি সরানোর জন্য প্রথমে খাদ্যকে গাঢ় লবণ পানিতে (ব্রাইন) সিক্ত করা হয়। পরে ভিনেগারে ডুবানো হয়। ভিনেগার যোগে খাদ্য সংরক্ষণের মূল বিষয় হলো এর উপস্থিতিতে খাদ্যদ্রব্য বাতাসের অক্সিজেন, আর্দ্রতা হতে দূরে থাকতে পারে। ফলে খাদ্যে পচন বা খাদ্যের বর্ণ পরিবর্তন রোধ হয়। খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হওয়ার অপর কারণ হলো 'তাপমাত্রা'। ভিনেগার ব্যবহারে খাদ্যের তাপমাত্রা এমন পর্যায়ে থাকে যে, এতে ব্যাকটেরিয়া বা এনজাইম জন্ম নিতে পারে না। কারণ আমরা জানি খাদ্য মূল দুটি কারণে নষ্ট হয়। [গণিত] প্যাথোজেনের [গণিত] আক্রমণে অর্থাৎ রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু, যেমন ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক দ্বারা। [গণিত] জারণের ফলে খাদ্যের পুষ্টিকর উপাদান ভেঙে যায়। অর্থাৎ খাদ্যের কোষ প্রাচীরে জারণের ফলে ভাঙন ধরে এবং খাদ্য ধীরে ধীরে নষ্ট হতে থাকে। ভিনেগারের ব্যবহারে এ দুটি প্রক্রিয়াই ব্যাহত হয় বলে খাদ্যে জীবাণুর আক্রমণ রোধ হয় এবং গুণসম্পন্ন খাদ্য হিসেবে সংরক্ষিত হয়। ভিনেগারের ইথানয়িক এসিড অণু হতে প্রোটন [গণিত] আয়ন বিমুক্ত হয়, যা ব্যাকটেরিয়ার প্রোপিন এবং চর্বিকে আর্দ্রবিশ্লেষিত করে। ফলে ব্যাকটেরিয়া মারা যায়। [গণিত] এ পদ্ধতিতে সবজি, মাংস, মাছ, ডিম, ফল এমনকি বাদাম সংরক্ষণ করা যায়।
HSC Chemistry 1st Paper Chapter 5: কর্মমূখী রসায়ন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Chemistry 1st Paper · Chapter 5: কর্মমূখী রসায়ন · সৃজনশীল
খাদ্য, সংরক্ষণে যৌগের জলীয় দ্রবণের কোনো ভূমিকা আছে কি? বিশ্লেষণ কর।
Barisal · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
সুতরাং, হলো ভিনেগার। নিচে আখের রস থেকে ভিনেগার উৎপাদন প্রণালি বর্ণনা করা হলো-
বাছাইকৃত আখের টুকরাগুলো প্রথমে পানিতে ধুয়ে ভালোভাবে পরিক্ষার করা হয়। এরপর মাড়াই করে রস বের করে আনা হয়। প্রাপ্ত রসকে নরম কাপড় দ্বারা ছেকে নিয়ে কড়াইতে ধীরে ধীরে তাপ দিয়ে
দ্রবণের অংশ কমিয়ে ফেলা হয়। দ্রবণকে ঠাণ্ডা করে একটি পরিষ্কার পাত্রে নিয়ে লঘু এসিড যোগ করা হয়। এতে অবাঞ্ছিত ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না। দ্রবণের মধ্যে ও যোগ করে কাঠি দিয়ে ভালোভাবে নাড়ানো হয়। এরপর একে তাপমাত্রায় রেখে মিশ্রণের মধ্যে ঈস্ট যোগ করে তিন চার দিন রেখে দিলে গাঁজন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ঈস্ট থেকে ইনভারটেজ ও জাইমেজ নামক দুটি এনজাইম নিঃসৃত হয়। নিঃসৃত ইনভারটেজ রসের চিনিকে আর্দ্র বিশ্লেষিত করে গ্লুকোজ ও ফ্রুষ্টোজে পরিবর্তিত করে । জাইমেজ এনজাইম গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজকে বিয়োজিত করে ইথানল ও কার্বন ডাইঅক্সাইডে পরিণত করে।
এক্ষেত্রে ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং প্রক্রিয়ার শেষে দ্রবণে প্রায় 10% ইথানল থাকে। মাইকোডার্মা অ্যাসিটি বা অ্যাসিটো ব্যাকটর নামক ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতিতে ইথানলের লঘু জলীয় দ্রবণকে বায়ুর অক্সিজেন দ্বারা জারিত করে লঘু ইথানয়িক এসিড (6 – 10%) তথা ভিনেগার প্রস্তুত করে। এক্ষেত্রে নিম্নরূপে বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

উত্তর