শেয়ারFacebookWhatsApp

শিরোনামসহ নিচের সংকেত অনুসরণে একটি খুদে গল্প রচনা কর: ঝড়ের রাত। আকাশে ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। পিয়ালের মন খুবই অস্থির। রাত আনুমানিক একটা। হঠাৎ কলিং বেলের আওয়াজ। অজানা আতঙ্কে পিয়াল ldots [গণিত] ..।

উত্তর: ঝড়ের রাত। আকাশ যেন ছিঁড়ে পড়ছে অবিরাম বজ্রপাত আর মেঘের গর্জনে। ঘন ঘন বিদ্যুতের ঝলকানিতে ঘরের ভেতরেও সবকিছু এক নিমেষে আলোকিত হয়ে আবার ডুবে যাচ্ছে নিকষ কালো আঁধারে। পিয়ালের মনটা ভীষণ অস্থির। কী একটা অজানা আশঙ্কায় তার বুকের ভেতরটা ধুকপুক করছে। ঘড়িতে তখন রাত আনুমানিক একটা। এমন দুর্যোগপূর্ণ রাতে স্বাভাবিকভাবেই কেউ বাইরে থাকে না। চারিদিকে কেবল বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ আর বৃষ্টির একটানা ঝমঝম আওয়াজ। হঠাৎ কলিং বেলের তীক্ষ্ণ আওয়াজ! পিয়াল চমকে উঠল। এই গভীর রাতে কে আসতে পারে? তার সারা শরীর যেন ঠান্ডা হয়ে গেল। অজানা এক আতঙ্কে বুকের ভেতরটা হিম হয়ে আসতে লাগল। পিয়ালের ছোট পরিবার। বাবা-মা গ্রামে গেছেন এক আত্মীয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে। বাড়িতে সে আর কাজের লোকটা আছে, তবে কাজের লোকটা অনেক আগেই ঘুমিয়ে পড়েছে। পিয়াল কাঁপা কাঁপা হাতে টেবিল ল্যাম্পটা জ্বালাল। আলোতেও যেন ঘরের ভেতরের অন্ধকারটা পুরোপুরি কাটছে না। কলিং বেলের শব্দটা আবার হলো, এবার আরও জোরেশোরে, যেন কেউ অধৈর্য হয়ে অপেক্ষা করছে। পিয়ালের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমল। সে বিছানা থেকে নেমে দরজার দিকে পা বাড়াল। তার মনে হলো, হৃদপিণ্ডটা যেন গলার কাছে চলে এসেছে। দরজার ছোট আই-হোল দিয়ে বাইরেটা দেখার চেষ্টা করল, কিন্তু বিদ্যুতের ঝলকানি আর বৃষ্টির কারণে কিছুই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। তবে আবছাভাবে একটা ছায়ামূর্তি দেখা যাচ্ছে বলে মনে হলো। সে ভাবল, "চোর নয় তো? নাকি কোনো ডাকাত দল?" কিন্তু এতো ঝড়-বৃষ্টিতে চোর আসার কথা নয়। তাহলে কে? কোনো দুঃসংবাদ নয় তো? এই চিন্তাটা মাথায় আসতেই তার অস্থিরতা আরও বেড়ে গেল। সে সিদ্ধান্ত নিল, সরাসরি দরজা খুলবে না। "কে?" পিয়াল সাহস সঞ্চয় করে গলা চড়িয়ে জিজ্ঞেস করল। বাইরে থেকে কোনো উত্তর এলো না। শুধু কলিং বেলের তীব্র আওয়াজটা আবার বেজে উঠল, এবার যেন আরও দীর্ঘস্থায়ী। পিয়াল আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়ল। তার মনে হলো, বাইরে যে আছে, সে নিশ্চয়ই খুব মরিয়া। শেষমেশ অনেকটা সাহস জোগাড় করে সে দরজার লকের দিকে হাত বাড়াল। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে দরজাটা খুলতেই বিদ্যুতের ঝলকানিতে তার চোখে পড়ল এক অপ্রত্যাশিত মুখ! সে তার ছোটবেলার বন্ধু রায়হান! রায়হান ভিজে চুপচুপে হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ। "আরে রায়হান! তুই!" বিস্ময়ে আর স্বস্তিতে পিয়ালের মুখ থেকে কথাটা বেরোলো। রায়হান কাঁপতে কাঁপতে বলল, "আর বলিস না দোস্ত! বাসের চাকা ফেটে গিয়েছিল। সারা রাত রাস্তার পাশে আটকে ছিলাম। কোনো গাড়ি পাচ্ছিলাম না। শেষে হেঁটে হেঁটে এতদূর এলাম। তোর কথা মনে পড়ল, ভাবলাম এই দুর্যোগে আর কার কাছে যাব?" পিয়াল এক মুহূর্তের জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে গেল। তারপর দ্রুত রায়হানকে ভেতরে টেনে নিয়ে দরজা বন্ধ করল। ঝড়ের রাতের অজানা আতঙ্ক নিমেষে স্বস্তিতে পরিণত হলো। সে মনে মনে ভাবল, সব আতঙ্ক সবসময় ভয়ের হয় না, কখনো কখনো তা অপ্রত্যাশিত আনন্দেরও কারণ হতে পারে।

HSC Bangla 2nd Paper সংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · সংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা · সৃজনশীল

শিরোনামসহ নিচের সংকেত অনুসরণে একটি খুদে গল্প রচনা কর: ঝড়ের রাত। আকা…

Chittagong · 2025

উত্তর

ইয়াসিন: (বিরক্ত মুখে) কিরে আবির, কেমন আছিস? সেই কখন থেকে তোকে ফোন দিচ্ছি, ধরছিস না কেন? আর এত দেরি হলো তোর? আবির: (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) আর বলিস না দোস্ত! জ্যামে আটকা পড়ে আমার জীবন শেষ। এই তোদের ধানমন্ডি আসার পথে যা জ্যাম! প্রায় এক ঘণ্টা লেগে গেল শুধু রাসেল স্কয়ার থেকে সাইন্সল্যাব আসতে। মেজাজটাই খারাপ হয়ে আছে। তুই কেমন আছিস? ইয়াসিন: আমি আর কেমন থাকব! আমিও তো তোর জন্য এই মোড়ে ১৫ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে। রিকশা থেকে নেমে হেঁটে চলে এলাম। ভেবেছিলাম তাড়াতাড়ি আসবি, একটু নিরিবিলি কথা বলব। কিন্তু এই জ্যামের শহরে শান্তি কোথায়! আবির: একদম ঠিক বলেছিস। ঢাকা শহরটা এখন জ্যামের নগরী হয়ে গেছে। প্রতিটা মোড়ে, প্রতিটা রাস্তায় শুধু গাড়ি আর গাড়ি। অসহ্য লাগে মাঝে মাঝে। বিশেষ করে অফিস টাইমে তো মনে হয় গাড়ির ওপর গাড়ি তুলে দিই। ইয়াসিন: অফিস টাইম কেন, এখন তো মনে হয় সব সময়ই জ্যাম লেগে থাকে। ছুটির দিনেও রেহাই নেই। গত পরশু নিউমার্কেট গিয়েছিলাম, ছোট একটা কাজ ছিল। আধা ঘণ্টার পথ যেতে দেড় ঘণ্টা লাগল। সব কাজ ফেলে রাস্তায় বসে থাকতে হয়। আবির: এই জ্যামের কারণে কত জরুরি কাজ পণ্ড হয়, তার কোনো হিসাব নেই। একবার এক ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছিলাম, জ্যামের কারণে সময়মতো পৌঁছাতে পারিনি। সুযোগটা হাতছাড়া হয়ে গেল। কী যে মানসিক চাপ যায় এই জ্যামে! ইয়াসিন: শুধু মানসিক চাপ না, শারীরিক ধকলও কম না। রিকশার ঝাঁকুনি, গাড়ির হর্ন, ধোঁয়া – সব মিলিয়ে মনে হয় যেন একটা যুদ্ধক্ষেত্র। আমাদের সময় আর স্বাস্থ্যের কী পরিমাণ ক্ষতি হচ্ছে, একবার ভেবে দেখেছিস? আবির: হ্যাঁ, আর এই যে সময় নষ্ট হচ্ছে, এর মূল্য কে দেবে? দিনের অনেকটা সময় তো শুধু গাড়িতে বসেই কেটে যায়। কত প্রোডাক্টিভ কাজ করা যেত এই সময়ে! সরকারেরও এই ব্যাপারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখছি না। ইয়াসিন: ঠিকই বলেছিস। ফ্লাইওভার হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তাতেও জ্যাম কমছে না। মনে হয় যেন যেই লাউ সেই কদু। গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি না হলে আর ফুটপাতগুলো দখলমুক্ত না হলে এই জ্যাম কমার কোনো সম্ভাবনাই দেখি না। আবির: আমার তো মনে হয়, প্রাইভেট গাড়ির সংখ্যা কমানো দরকার। আর ভালো একটা বাস সার্ভিস চালু করা উচিত, যেখানে মানুষ নিশ্চিন্তে যাতায়াত করতে পারে। তাহলে হয়ত মানুষ প্রাইভেট গাড়ি ব্যবহার কমিয়ে দেবে। ইয়াসিন: সেটাই একমাত্র উপায় মনে হয়। আর ট্রাফিক আইনগুলো আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করা উচিত। সবাই যদি নিয়ম মেনে চলে, তাহলে হয়ত কিছুটা সুরাহা হতে পারে। আপাতত চল, এই জ্যামের ভোগান্তি ভুলে কিছুক্ষণের জন্য গল্প করি। আবির: হ্যাঁ, চল। জ্যামের গল্প করে আর মেজাজ খারাপ করে লাভ নেই। তার চেয়ে চল, গরম এক কাপ চা খাই।

উত্তর

ঝড়ের রাত। আকাশ যেন ছিঁড়ে পড়ছে অবিরাম বজ্রপাত আর মেঘের গর্জনে। ঘন ঘন বিদ্যুতের ঝলকানিতে ঘরের ভেতরেও সবকিছু এক নিমেষে আলোকিত হয়ে আবার ডুবে যাচ্ছে নিকষ কালো আঁধারে। পিয়ালের মনটা ভীষণ অস্থির। কী একটা অজানা আশঙ্কায় তার বুকের ভেতরটা ধুকপুক করছে। ঘড়িতে তখন রাত আনুমানিক একটা। এমন দুর্যোগপূর্ণ রাতে স্বাভাবিকভাবেই কেউ বাইরে থাকে না। চারিদিকে কেবল বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ আর বৃষ্টির একটানা ঝমঝম আওয়াজ। হঠাৎ কলিং বেলের তীক্ষ্ণ আওয়াজ! পিয়াল চমকে উঠল। এই গভীর রাতে কে আসতে পারে? তার সারা শরীর যেন ঠান্ডা হয়ে গেল। অজানা এক আতঙ্কে বুকের ভেতরটা হিম হয়ে আসতে লাগল। পিয়ালের ছোট পরিবার। বাবা-মা গ্রামে গেছেন এক আত্মীয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে। বাড়িতে সে আর কাজের লোকটা আছে, তবে কাজের লোকটা অনেক আগেই ঘুমিয়ে পড়েছে। পিয়াল কাঁপা কাঁপা হাতে টেবিল ল্যাম্পটা জ্বালাল। আলোতেও যেন ঘরের ভেতরের অন্ধকারটা পুরোপুরি কাটছে না। কলিং বেলের শব্দটা আবার হলো, এবার আরও জোরেশোরে, যেন কেউ অধৈর্য হয়ে অপেক্ষা করছে। পিয়ালের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমল। সে বিছানা থেকে নেমে দরজার দিকে পা বাড়াল। তার মনে হলো, হৃদপিণ্ডটা যেন গলার কাছে চলে এসেছে। দরজার ছোট আই-হোল দিয়ে বাইরেটা দেখার চেষ্টা করল, কিন্তু বিদ্যুতের ঝলকানি আর বৃষ্টির কারণে কিছুই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। তবে আবছাভাবে একটা ছায়ামূর্তি দেখা যাচ্ছে বলে মনে হলো। সে ভাবল, "চোর নয় তো? নাকি কোনো ডাকাত দল?" কিন্তু এতো ঝড়-বৃষ্টিতে চোর আসার কথা নয়। তাহলে কে? কোনো দুঃসংবাদ নয় তো? এই চিন্তাটা মাথায় আসতেই তার অস্থিরতা আরও বেড়ে গেল। সে সিদ্ধান্ত নিল, সরাসরি দরজা খুলবে না। "কে?" পিয়াল সাহস সঞ্চয় করে গলা চড়িয়ে জিজ্ঞেস করল। বাইরে থেকে কোনো উত্তর এলো না। শুধু কলিং বেলের তীব্র আওয়াজটা আবার বেজে উঠল, এবার যেন আরও দীর্ঘস্থায়ী। পিয়াল আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়ল। তার মনে হলো, বাইরে যে আছে, সে নিশ্চয়ই খুব মরিয়া। শেষমেশ অনেকটা সাহস জোগাড় করে সে দরজার লকের দিকে হাত বাড়াল। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে দরজাটা খুলতেই বিদ্যুতের ঝলকানিতে তার চোখে পড়ল এক অপ্রত্যাশিত মুখ! সে তার ছোটবেলার বন্ধু রায়হান! রায়হান ভিজে চুপচুপে হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ। "আরে রায়হান! তুই!" বিস্ময়ে আর স্বস্তিতে পিয়ালের মুখ থেকে কথাটা বেরোলো। রায়হান কাঁপতে কাঁপতে বলল, "আর বলিস না দোস্ত! বাসের চাকা ফেটে গিয়েছিল। সারা রাত রাস্তার পাশে আটকে ছিলাম। কোনো গাড়ি পাচ্ছিলাম না। শেষে হেঁটে হেঁটে এতদূর এলাম। তোর কথা মনে পড়ল, ভাবলাম এই দুর্যোগে আর কার কাছে যাব?" পিয়াল এক মুহূর্তের জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে গেল। তারপর দ্রুত রায়হানকে ভেতরে টেনে নিয়ে দরজা বন্ধ করল। ঝড়ের রাতের অজানা আতঙ্ক নিমেষে স্বস্তিতে পরিণত হলো। সে মনে মনে ভাবল, সব আতঙ্ক সবসময় ভয়ের হয় না, কখনো কখনো তা অপ্রত্যাশিত আনন্দেরও কারণ হতে পারে।
HSCBangla 2nd Paperসংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনাChittagong
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসারে রক্তদানের পুণ্য শীর্ষক একটি খুদে গল্প রচনা করো:

প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসারে রক্তদানের পুণ্য শীর্ষক একটি খুদে গল্প রচনা করো:

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অথবা, 'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন' বিষয়ক একটি খুদেগল্প লেখো।

Barisal

অথবা, 'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন' বিষয়ক একটি খুদেগল্প লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.অথবা, 'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন' বিষয়ক একটি খুদেগল্প লেখো।

Barisal

অথবা, 'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন' বিষয়ক একটি খুদেগল্প লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.জনজীবনের ওপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু'বন্ধুর সংলাপ তৈরি করো।

Barisal

জনজীবনের ওপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু'বন্ধুর সংলাপ তৈরি করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.জনজীবনের ওপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু'বন্ধুর সংলাপ তৈরি করো।

Barisal

জনজীবনের ওপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু'বন্ধুর সংলাপ তৈরি করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ক. একটি শীতের সকাল; খ. কৃষিকাজে বিজ্ঞান; গ. জাতি গঠনে নারী সমাজের ভূমিকা; ঘ. অধ্যবসায়; ৬. জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

Jessore

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ক. একটি শীতের সকাল; খ. কৃষিকাজে বিজ্ঞান; গ. জাতি গঠনে নারী সমাজের ভূমিকা; ঘ. অধ্যবসায়; ৬. জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ক. একটি শীতের সকাল; খ. কৃষিকাজে বিজ্ঞান; গ. জাতি গঠনে নারী সমাজের ভূমিকা; ঘ. অধ্যবসায়; ৬. জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

Jessore

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ক. একটি শীতের সকাল; খ. কৃষিকাজে বিজ্ঞান; গ. জাতি গঠনে নারী সমাজের ভূমিকা; ঘ. অধ্যবসায়; ৬. জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রদত্ত শিরোনাম অবলম্বনে খুদেগল্প রচনা করো: "মোবাইল ফোনে বন্ধুত্ব"

Jessore

প্রদত্ত শিরোনাম অবলম্বনে খুদেগল্প রচনা করো: "মোবাইল ফোনে বন্ধুত্ব"

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.প্রদত্ত শিরোনাম অবলম্বনে খুদেগল্প রচনা করো: "মোবাইল ফোনে বন্ধুত্ব"

Jessore

প্রদত্ত শিরোনাম অবলম্বনে খুদেগল্প রচনা করো: "মোবাইল ফোনে বন্ধুত্ব"

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

Jessore

বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

Jessore

বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসারে রক্তদানের পুণ্য শীর্ষক একটি খুদে গল্প রচনা করো:নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।অথবা, 'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন' বিষয়ক একটি খুদেগল্প লেখো।অথবা, 'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন' বিষয়ক একটি খুদেগল্প লেখো।জনজীবনের ওপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু'বন্ধুর সংলাপ তৈরি করো।জনজীবনের ওপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু'বন্ধুর সংলাপ তৈরি করো।যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ক. একটি শীতের সকাল; খ. কৃষিকাজে বিজ্ঞান; গ. যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ক. একটি শীতের সকাল; খ. কৃষিকাজে বিজ্ঞান; গ. প্রদত্ত শিরোনাম অবলম্বনে খুদেগল্প রচনা করো: "মোবাইল ফোনে বন্ধুত্ব"প্রদত্ত শিরোনাম অবলম্বনে খুদেগল্প রচনা করো: "মোবাইল ফোনে বন্ধুত্ব"বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।