শেয়ারFacebookWhatsApp

গণতন্ত্রের উত্তরণ ও সাম্প্রতিক বাংলাদেশ বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা কর।

উত্তর: আসিফ: কিরে রাফি, কেমন আছিস? আজকাল দেশের পরিস্থিতি দেখে কেমন যেন অস্থির লাগছে। গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবলে কেমন যেন একটা অনিশ্চয়তা কাজ করে। রাফি: হ্যাঁ আসিফ, তোর কথা ঠিক। গণতন্ত্রের উত্তরণ একটা চলমান প্রক্রিয়া, আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছেই তো গণতন্ত্রের জন্য, কিন্তু পথটা কখনো মসৃণ ছিল না। আসিফ: একদম তাই। স্বাধীনতার পর থেকে কত উত্থান-পতন দেখলাম। সামরিক শাসন, রাজনৈতিক অস্থিরতা... মনে হয় যেন গণতন্ত্রের ভিতটা এখনো নড়বড়ে। রাফি: নড়বড়ে হয়তো পুরোপুরি বলা যাবে না। দেখ, গত কয়েক দশকে কিন্তু অনেক ইতিবাচক পরিবর্তনও এসেছে। যেমন, নিয়মিত নির্বাচন হচ্ছে, যদিও এর স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কিছুটা হলেও বেড়েছে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও আগের চেয়ে বেশি। আসিফ: কিন্তু এই যে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন, বিরোধী দলের সভা-সমাবেশে বাধা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো বিষয়গুলো তো গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। এগুলো কি গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে বাধা নয়? রাফি: অবশ্যই বাধা। এগুলোকে অস্বীকার করার উপায় নেই। গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হলো ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। এই জায়গাগুলোতে এখনো অনেক দুর্বলতা আছে, যা কাটিয়ে ওঠা জরুরি। তবে এটাও মনে রাখতে হবে, আমাদের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে, মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে। এই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য একটা সুযোগ তৈরি করে। আসিফ: সেটা ঠিক। অর্থনৈতিক উন্নতি হলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ে, অধিকার সম্পর্কে তারা আরও সোচ্চার হয়। কিন্তু রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া কি শুধু অর্থনৈতিক উন্নতি দিয়ে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা সম্ভব? রাফি: না, শুধু অর্থনৈতিক উন্নতি যথেষ্ট নয়। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহনশীলতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি। সুশীল সমাজ এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। দেখ, তরুণ প্রজন্ম এখন অনেক বেশি সচেতন। তারা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশ করছে, যা এক ধরনের গণতান্ত্রিক চর্চা। আসিফ: তাহলে তুই কি আশাবাদী যে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পূর্ণাঙ্গ উত্তরণ ঘটবে? রাফি: আমি আশাবাদী। কারণ, আমাদের দেশের মানুষ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। চ্যালেঞ্জ আছে, কিন্তু সেগুলো মোকাবিলা করার সক্ষমতাও আমাদের আছে। প্রয়োজন শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ। গণতন্ত্র একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয় না, এটা একটা দীর্ঘ প্রক্রিয়া। আসিফ: তোর কথা শুনে একটু স্বস্তি পেলাম। আশা করি, আমাদের দেশ একদিন সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হবে, যেখানে সবার অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। রাফি: আমিও সেই স্বপ্ন দেখি। চল, এখন উঠি। পরে আবার কথা হবে। আসিফ: ঠিক আছে, ভালো থাকিস।

HSC Bangla 2nd Paper সংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · সংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা · সৃজনশীল

গণতন্ত্রের উত্তরণ ও সাম্প্রতিক বাংলাদেশ বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি…

Sylhet · 2025

উত্তর

আসিফ: কিরে রাফি, কেমন আছিস? আজকাল দেশের পরিস্থিতি দেখে কেমন যেন অস্থির লাগছে। গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবলে কেমন যেন একটা অনিশ্চয়তা কাজ করে। রাফি: হ্যাঁ আসিফ, তোর কথা ঠিক। গণতন্ত্রের উত্তরণ একটা চলমান প্রক্রিয়া, আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছেই তো গণতন্ত্রের জন্য, কিন্তু পথটা কখনো মসৃণ ছিল না। আসিফ: একদম তাই। স্বাধীনতার পর থেকে কত উত্থান-পতন দেখলাম। সামরিক শাসন, রাজনৈতিক অস্থিরতা... মনে হয় যেন গণতন্ত্রের ভিতটা এখনো নড়বড়ে। রাফি: নড়বড়ে হয়তো পুরোপুরি বলা যাবে না। দেখ, গত কয়েক দশকে কিন্তু অনেক ইতিবাচক পরিবর্তনও এসেছে। যেমন, নিয়মিত নির্বাচন হচ্ছে, যদিও এর স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কিছুটা হলেও বেড়েছে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও আগের চেয়ে বেশি। আসিফ: কিন্তু এই যে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন, বিরোধী দলের সভা-সমাবেশে বাধা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো বিষয়গুলো তো গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। এগুলো কি গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে বাধা নয়? রাফি: অবশ্যই বাধা। এগুলোকে অস্বীকার করার উপায় নেই। গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হলো ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। এই জায়গাগুলোতে এখনো অনেক দুর্বলতা আছে, যা কাটিয়ে ওঠা জরুরি। তবে এটাও মনে রাখতে হবে, আমাদের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে, মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে। এই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য একটা সুযোগ তৈরি করে। আসিফ: সেটা ঠিক। অর্থনৈতিক উন্নতি হলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ে, অধিকার সম্পর্কে তারা আরও সোচ্চার হয়। কিন্তু রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া কি শুধু অর্থনৈতিক উন্নতি দিয়ে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা সম্ভব? রাফি: না, শুধু অর্থনৈতিক উন্নতি যথেষ্ট নয়। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহনশীলতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি। সুশীল সমাজ এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। দেখ, তরুণ প্রজন্ম এখন অনেক বেশি সচেতন। তারা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশ করছে, যা এক ধরনের গণতান্ত্রিক চর্চা। আসিফ: তাহলে তুই কি আশাবাদী যে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পূর্ণাঙ্গ উত্তরণ ঘটবে? রাফি: আমি আশাবাদী। কারণ, আমাদের দেশের মানুষ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। চ্যালেঞ্জ আছে, কিন্তু সেগুলো মোকাবিলা করার সক্ষমতাও আমাদের আছে। প্রয়োজন শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ। গণতন্ত্র একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয় না, এটা একটা দীর্ঘ প্রক্রিয়া। আসিফ: তোর কথা শুনে একটু স্বস্তি পেলাম। আশা করি, আমাদের দেশ একদিন সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হবে, যেখানে সবার অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। রাফি: আমিও সেই স্বপ্ন দেখি। চল, এখন উঠি। পরে আবার কথা হবে। আসিফ: ঠিক আছে, ভালো থাকিস।

উত্তর

মোবাইল ফোনে বন্ধুত্বের পরিণাম অপর প্রান্ত থেকে ভেসে আসা অপরিচিত এক নারী কণ্ঠ শুনে সাগর বুঝতে পারে, সে ডায়াল করেছে ভুল নম্বরে। তবু নিশ্চিত হতে জিজ্ঞাসা করি, এটা কি পিয়াল খন্দকারের নম্বর? বিপরীত দিক থেকে এক নারী কণ্ঠ স্বাভাবিকভাবে জানতে চাইলো, আপনি কে? আমি সাগর। কোথা থেকে বলছেন? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়? পিয়ালকে কিভাবে চিনেন? আমি ওনাকে দেখিনি, কথাও হয়নি। ফোন নম্বর কিভাবে পেয়েছেন? আমার রুমমেট আহসান দিয়েছে। পিয়ালের আর কোনো নম্বর আপনার কাছে আছে? না, নেই। তাহলে একটা নাম্বার লিখুন ০১৭১... এই নম্বরে ঘন্টাখানেক পরে ফোন দিলে পাবেন। আপনি কে বলছিলেন? আমি মৌমিতা, পিয়ালের বন্ধু। আরও কিছু? নো, থ্যাংকস। ওকে বাই। এটুকুই কথা হয়েছে ছদ্ম নামধারী মৌমিতার সঙ্গে। তারপর এক ঘন্টা পরে মৌমিতার দেয়া সেই নম্বরে ডায়াল করতেই রিসিভ হলো। অপর প্রান্ত থেকে ভেসে এলো- হ্যালো, পিয়াল খন্দকার বলছি, হ্যাঁ বলুন। আচ্ছা, আপনি। তা ভালো আছেন ভাই? হ্যাঁ, হ্যাঁ মৌমিতা বলেছে। হাঃ হাঃ এই চলছে আর কী? না না ঠিক আছে, তখন বাসায় গেস্ট ছিল, কথা বলছিলাম তাদের সঙ্গে। হ্যাঁ, হ্যাঁ ঠিক আছে। ঠিক আছে অসুবিধা নেই, আমি আপনাকে ঠিকানা দিয়ে দিলে যেতে পারবেন না? গুড, তাহলে লিখুন বাড়ি নং... রোড নং ldots উত্তরা, ঢাকা ১২৩০। ঠিক আছে ভাই। আচ্ছা শুনুন, সম্ভব হলে ভালো জামা কাপড় পরে, একটু স্মার্ট হয়ে যাবেন। বুঝতেই পারছেন প্রথমে দর্শনদারি, পরে গুণ বিচারি। আপনি আমার বন্ধুর বন্ধু, তাহলে আমারও বন্ধু। না, না ভাই এভাবে বলবেন না। বন্ধু হয়ে বন্ধুর জন্য কিছু করতে পারা তো আনন্দের। তাহলে কবে যাচ্ছেন? ঠিক আছে। ওকে ফাইন। তাহলে ঐ কথাই থাকল। ওকে বাই। ঠিক আছে আপনার কাজটা আগে হোক তারপর মিট করবো। ওকে। ওকে, বাই। পিয়াল খন্দকারের সাথে কথোপকথন শেষ হলো সাগরের। দীর্ঘ ফোনালাপের মূল বিষয় ছিল চাকরির তদবির। একজন নামি দামি নেতার সাথে সাক্ষাৎ করে বিস্তারিত বিষয় খুলে বলা। নেতা পিয়াল খন্দকারের মামা। আর মৌমিতা ঐ নেতার একমাত্র কন্যা। কথা বলে সাগর খুব আশাবাদী, পিয়াল ভাই খুব ভালো লোক। আজকের দিনে নিঃস্বার্থ এমন উপকারী এমন উপকারী লোক পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। নির্ধারিত দিনে যথাসময়ে পিয়াল খন্দকারের ঠিকানায় হাজির হলো সাগর। তার দেহটা ছাড়া দেহের সঙ্গে থাকা কোট, টাই, দামি ঘড়ি, মোবাইল, ব্যাগ, জুতা সবই ধার করা। অটোরিকশা থেকে নেমেই সাগর ফোন করল পিয়ালকে। পিয়াল ফোন কেটে দিল। আবার কল করল। ব্যস্ত পেল। মিনিট দুই পরে আবার ডায়াল করল, তখনও বিজি। আর পাঁচ মিনিট পর ডায়াল করে পেল, হ্যালো পিয়াল ভাই...। সাগর কথা বলতে পারল না। পেছন থেকে তাকে মাথায় সজোরে কেউ একজন আঘাত করল। যখন তার জ্ঞান ফিরল তখন বুঝতে পারল সে একটা ময়লা ড্রেনে পড়ে আছে, মাথায় প্রচন্ড যন্ত্রণা হচ্ছে, গায়ে গেঞ্জি আর পরনে শার্ট প্যান্ট ছাড়া আর কিছু নেই। একজন রিকশাওয়ালা দয়াপরবশ হয়ে তাকে ড্রেন থেকে টেনে তুলছে।
HSCBangla 2nd Paperসংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনাSylhet
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসারে রক্তদানের পুণ্য শীর্ষক একটি খুদে গল্প রচনা করো:

প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসারে রক্তদানের পুণ্য শীর্ষক একটি খুদে গল্প রচনা করো:

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অথবা, 'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন' বিষয়ক একটি খুদেগল্প লেখো।

Barisal

অথবা, 'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন' বিষয়ক একটি খুদেগল্প লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.অথবা, 'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন' বিষয়ক একটি খুদেগল্প লেখো।

Barisal

অথবা, 'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন' বিষয়ক একটি খুদেগল্প লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.জনজীবনের ওপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু'বন্ধুর সংলাপ তৈরি করো।

Barisal

জনজীবনের ওপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু'বন্ধুর সংলাপ তৈরি করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.জনজীবনের ওপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু'বন্ধুর সংলাপ তৈরি করো।

Barisal

জনজীবনের ওপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু'বন্ধুর সংলাপ তৈরি করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ক. একটি শীতের সকাল; খ. কৃষিকাজে বিজ্ঞান; গ. জাতি গঠনে নারী সমাজের ভূমিকা; ঘ. অধ্যবসায়; ৬. জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

Jessore

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ক. একটি শীতের সকাল; খ. কৃষিকাজে বিজ্ঞান; গ. জাতি গঠনে নারী সমাজের ভূমিকা; ঘ. অধ্যবসায়; ৬. জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ক. একটি শীতের সকাল; খ. কৃষিকাজে বিজ্ঞান; গ. জাতি গঠনে নারী সমাজের ভূমিকা; ঘ. অধ্যবসায়; ৬. জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

Jessore

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ক. একটি শীতের সকাল; খ. কৃষিকাজে বিজ্ঞান; গ. জাতি গঠনে নারী সমাজের ভূমিকা; ঘ. অধ্যবসায়; ৬. জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রদত্ত শিরোনাম অবলম্বনে খুদেগল্প রচনা করো: "মোবাইল ফোনে বন্ধুত্ব"

Jessore

প্রদত্ত শিরোনাম অবলম্বনে খুদেগল্প রচনা করো: "মোবাইল ফোনে বন্ধুত্ব"

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.প্রদত্ত শিরোনাম অবলম্বনে খুদেগল্প রচনা করো: "মোবাইল ফোনে বন্ধুত্ব"

Jessore

প্রদত্ত শিরোনাম অবলম্বনে খুদেগল্প রচনা করো: "মোবাইল ফোনে বন্ধুত্ব"

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

Jessore

বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

Jessore

বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসারে রক্তদানের পুণ্য শীর্ষক একটি খুদে গল্প রচনা করো:নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।অথবা, 'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন' বিষয়ক একটি খুদেগল্প লেখো।অথবা, 'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন' বিষয়ক একটি খুদেগল্প লেখো।জনজীবনের ওপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু'বন্ধুর সংলাপ তৈরি করো।জনজীবনের ওপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু'বন্ধুর সংলাপ তৈরি করো।যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ক. একটি শীতের সকাল; খ. কৃষিকাজে বিজ্ঞান; গ. যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ক. একটি শীতের সকাল; খ. কৃষিকাজে বিজ্ঞান; গ. প্রদত্ত শিরোনাম অবলম্বনে খুদেগল্প রচনা করো: "মোবাইল ফোনে বন্ধুত্ব"প্রদত্ত শিরোনাম অবলম্বনে খুদেগল্প রচনা করো: "মোবাইল ফোনে বন্ধুত্ব"বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।