Dhaka বোর্ড 2025 Civics 2nd Paper

Dhaka শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Civics 2nd Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Dhaka

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCCivics 2nd PaperMCQ
ভারতীয় কাউন্সিল আইন, ১৮৯২ এর উদ্দেশ্য ছিল-
i. কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি ii. নির্বাচন নীতির প্রবর্তন
iii. আইন পরিষদের ক্ষমতা বৃদ্ধিনিচের কোনটি সঠিক?
  • .i ও ii
  • .i ও iii
  • .ii ও iii
  • .i, ii ও iii

উত্তর: i, ii ও iii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd PaperMCQ
বৃটিশদের ভাগ কর ও শাসন কর নীতির উদ্দেশ্য ছিল-
  • .মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষা
  • .বৃটিশ শাসন দীর্ঘস্থায়ী করা
  • .হিন্দু-মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠা
  • .অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করা

উত্তর: বৃটিশ শাসন দীর্ঘস্থায়ী করা

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:ভারতবর্ষের প্রথম নির্বাচনের পর প্রদেশগুলোর মন্ত্রিসভায় মুসলিম প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে তৎকালীন প্রধান দুটি দলের মধ্যে তিক্ততার সৃষ্টি হয়। এ তিক্ততা থেকে একটি নতুন তত্ত্বের সৃষ্টি হয়।Q. উদ্দীপকে কত সালের নির্বাচনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?
  • .১৯৩৫
  • .১৯৩৭
  • .১৯৪৬
  • .১৯৫৪

উত্তর: ১৯৩৭

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:ভারতবর্ষের প্রথম নির্বাচনের পর প্রদেশগুলোর মন্ত্রিসভায় মুসলিম প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে তৎকালীন প্রধান দুটি দলের মধ্যে তিক্ততার সৃষ্টি হয়। এ তিক্ততা থেকে একটি নতুন তত্ত্বের সৃষ্টি হয়।Q. উদ্দীপকে নিচের কোন তত্ত্বের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?
  • .স্বদেশ তত্ত্ব
  • .পৃথক জাতি তত্ত্ব
  • .স্বজাতি তত্ত্ব
  • .দ্বি-জাতি তত্ত্ব

উত্তর: দ্বি-জাতি তত্ত্ব

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd PaperMCQ
লাহোর প্রস্তাবে ভারতের কোন কোন অঞ্চলে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করা হয়?
  • .পূর্ব-পশ্চিমাঞ্চল
  • .দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
  • .উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চল
  • .উত্তর-পূর্বাঞ্চল

উত্তর: উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চল

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বিংশ শতকের শুরুতে লর্ড কার্জনের একটি সিদ্ধান্ত পূর্ব বাংলার মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক জাগরণ সৃষ্টি করলেও অন্য একটি সম্প্রদায় এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। স্বদেশি আন্দোলনের নামে তাদের সশস্ত্র বিরোধিতার কারণে ব্রিটিশ সরকার এই সিদ্ধান্ত রদ করতে বাধ্য হয়।

Dhaka · 2025

সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর

সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
দ্বৈতশাসন সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যক্ত কর।

উত্তর

১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো প্রদেশে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন। প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। যেমন- ক. হস্তান্তরিত বিষয় এবং খ. সংরক্ষিত বিষয়। হস্তান্তরিত বিষয়গুলো গভর্নর ও প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা যৌথভাবে পরিচালনা করতেন। আর সংরক্ষিত বিষয় কেবল গভর্নর ও শাসন পরিষদের নেতৃত্বে পরিচালিত হতো। এভাবে প্রাদেশিক শাসনসংক্রান্ত বিষয়কে দুই ভাগে বিভক্ত করায় একে দ্বৈতশাসন বলে অভিহিত করা হয়।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনায় মুসলিমদের উচ্ছ্বসিত হবার কারণ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনাটি হলো ১৯০৫ সালে সংঘটিত বঙ্গভঙ্গ। এ ঘটনার পেছনে মুসলিমদের উচ্ছ্বসিত হবার বহুবিধ কারণ ছিল।বঙ্গভঙ্গ ছিল ১৯০৫ সালে তৎকালীন ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের দ্বারা গৃহীত একটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস, যার মাধ্যমে বাংলা প্রদেশকে 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' এবং 'পশ্চিমবঙ্গ'-এই দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই বিভাজনের, ফলে পূর্ব বাংলার জনগণ, বিশেষত মুসলমানরা নতুন সুযোগ-সুবিধার আশা দেখতে পায়।উদ্দীপকে বর্ণিত লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্তে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের মধ্যে গভীর উৎসাহ ও জাগরণ দেখা দেয়। কারণ, এই সিদ্ধান্তের ফলে ঢাকা রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সূচনা ঘটে। নবনির্মিত প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে মুসলমানরা সরকারি চাকরি, শিক্ষা ও ব্যবসায়িক সুযোগ লাভের ক্ষেত্র তৈরি করতে শুরু করে। ঢাকা শহরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরের গঠন মুসলমানদের দীর্ঘদিনের অবহেলিত অবস্থান থেকে উত্তরণের পথ করে দেয়। এই ঘটনাকে মুসলমানরা তাদের গৌরব পুনরুদ্ধারের প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচনা করে। ফলে তারা এই পরিবর্তনকে নিজেদের সামাজিক ও রাজনৈতিক জাগরণের সূচক হিসেবে দেখেছিল। এই জাগরণই তাদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে এবং ভবিষ্যৎ সংগঠিত রাজনৈতিক চেতনার ভিত রচনা করে।
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের তথা বঙ্গভঙ্গের প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী।বঙ্গভঙ্গ ছিল ব্রিটিশ সরকারের একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক পদক্ষেপ, যার উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করে ঔপনিবেশিক শাসনকে সুসংহত করা। এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় উপমহাদেশের সাম্প্রদায়িক বিভাজন, রাজনৈতিক আন্দোলনের গতি ও ঐক্যের উপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। এর ফলে ভারতীয় সমাজে যে বিভাজনের বীজ রোপিত হয়, তা পরবর্তীতে ভারত বিভাগের মতো ঐতিহাসিক ঘটনার পথ প্রশস্ত করে।উদ্দীপকে বর্ণিত ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করলে তা একদিকে মুসলমানদের মাঝে প্রশাসনিক স্বীকৃতির আশ্বাস জাগায়, অন্যদিকে হিন্দুদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এতে করে হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং রাজনৈতিক ঐক্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ব্রিটিশদের 'ভাগ কর ও শাসন কর' নীতি কার্যকরভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, যার ফলে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। হিন্দু সম্প্রদায়ের অসন্তোষ থেকে স্বদেশি আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে, যা উপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম সংঘবদ্ধ প্রতিরোধ হিসেবে পরিচিতি পায়। অন্যদিকে মুসলমানদের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে মুসলিম লীগের জন্ম হয়, যা মুসলিম জাতীয়তাবাদকে সুসংগঠিত করে তোলে। এভাবে বঙ্গভঙ্গ একদিকে রাজনৈতিক সচেতনতা ও আন্দোলনের সূচনা ঘটালেও অপরদিকে ভারতীয় জনগণের ঐক্যে চিরস্থায়ী বিভক্তির রেখা টেনে দেয়, যার ফলস্বরূপ ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতা গভীরতর হয় এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদের সশস্ত্র বিরোধী তার কারণে ব্রিটিশ সরকার ১৯১১ সালে তা রদ করতে বাধ্য হয়।সব মিলিয়ে বলা যায়, বঙ্গভঙ্গ কেবল প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ছিল না; এটি ছিল একটি রাজনৈতিক কৌশল, যা ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে বিভাজনের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বিংশ শতকের শুরুতে লর্ড কার্জনের একটি সিদ্ধান্ত পূর্ব বাংলার মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক জাগরণ সৃষ্টি করলেও অন্য একটি সম্প্রদায় এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। স্বদেশি আন্দোলনের নামে তাদের সশস্ত্র বিরোধিতার কারণে ব্রিটিশ সরকার এই সিদ্ধান্ত রদ করতে বাধ্য হয়।

Dhaka · 2025

সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর

সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
দ্বৈতশাসন সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যক্ত কর।

উত্তর

১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো প্রদেশে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন। প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। যেমন- ক. হস্তান্তরিত বিষয় এবং খ. সংরক্ষিত বিষয়। হস্তান্তরিত বিষয়গুলো গভর্নর ও প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা যৌথভাবে পরিচালনা করতেন। আর সংরক্ষিত বিষয় কেবল গভর্নর ও শাসন পরিষদের নেতৃত্বে পরিচালিত হতো। এভাবে প্রাদেশিক শাসনসংক্রান্ত বিষয়কে দুই ভাগে বিভক্ত করায় একে দ্বৈতশাসন বলে অভিহিত করা হয়।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনায় মুসলিমদের উচ্ছ্বসিত হবার কারণ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনাটি হলো ১৯০৫ সালে সংঘটিত বঙ্গভঙ্গ। এ ঘটনার পেছনে মুসলিমদের উচ্ছ্বসিত হবার বহুবিধ কারণ ছিল।বঙ্গভঙ্গ ছিল ১৯০৫ সালে তৎকালীন ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের দ্বারা গৃহীত একটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস, যার মাধ্যমে বাংলা প্রদেশকে 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' এবং 'পশ্চিমবঙ্গ'-এই দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই বিভাজনের, ফলে পূর্ব বাংলার জনগণ, বিশেষত মুসলমানরা নতুন সুযোগ-সুবিধার আশা দেখতে পায়।উদ্দীপকে বর্ণিত লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্তে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের মধ্যে গভীর উৎসাহ ও জাগরণ দেখা দেয়। কারণ, এই সিদ্ধান্তের ফলে ঢাকা রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সূচনা ঘটে। নবনির্মিত প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে মুসলমানরা সরকারি চাকরি, শিক্ষা ও ব্যবসায়িক সুযোগ লাভের ক্ষেত্র তৈরি করতে শুরু করে। ঢাকা শহরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরের গঠন মুসলমানদের দীর্ঘদিনের অবহেলিত অবস্থান থেকে উত্তরণের পথ করে দেয়। এই ঘটনাকে মুসলমানরা তাদের গৌরব পুনরুদ্ধারের প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচনা করে। ফলে তারা এই পরিবর্তনকে নিজেদের সামাজিক ও রাজনৈতিক জাগরণের সূচক হিসেবে দেখেছিল। এই জাগরণই তাদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে এবং ভবিষ্যৎ সংগঠিত রাজনৈতিক চেতনার ভিত রচনা করে।
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের তথা বঙ্গভঙ্গের প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী।বঙ্গভঙ্গ ছিল ব্রিটিশ সরকারের একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক পদক্ষেপ, যার উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করে ঔপনিবেশিক শাসনকে সুসংহত করা। এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় উপমহাদেশের সাম্প্রদায়িক বিভাজন, রাজনৈতিক আন্দোলনের গতি ও ঐক্যের উপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। এর ফলে ভারতীয় সমাজে যে বিভাজনের বীজ রোপিত হয়, তা পরবর্তীতে ভারত বিভাগের মতো ঐতিহাসিক ঘটনার পথ প্রশস্ত করে।উদ্দীপকে বর্ণিত ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করলে তা একদিকে মুসলমানদের মাঝে প্রশাসনিক স্বীকৃতির আশ্বাস জাগায়, অন্যদিকে হিন্দুদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এতে করে হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং রাজনৈতিক ঐক্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ব্রিটিশদের 'ভাগ কর ও শাসন কর' নীতি কার্যকরভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, যার ফলে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। হিন্দু সম্প্রদায়ের অসন্তোষ থেকে স্বদেশি আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে, যা উপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম সংঘবদ্ধ প্রতিরোধ হিসেবে পরিচিতি পায়। অন্যদিকে মুসলমানদের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে মুসলিম লীগের জন্ম হয়, যা মুসলিম জাতীয়তাবাদকে সুসংগঠিত করে তোলে। এভাবে বঙ্গভঙ্গ একদিকে রাজনৈতিক সচেতনতা ও আন্দোলনের সূচনা ঘটালেও অপরদিকে ভারতীয় জনগণের ঐক্যে চিরস্থায়ী বিভক্তির রেখা টেনে দেয়, যার ফলস্বরূপ ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতা গভীরতর হয় এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদের সশস্ত্র বিরোধী তার কারণে ব্রিটিশ সরকার ১৯১১ সালে তা রদ করতে বাধ্য হয়।সব মিলিয়ে বলা যায়, বঙ্গভঙ্গ কেবল প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ছিল না; এটি ছিল একটি রাজনৈতিক কৌশল, যা ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে বিভাজনের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো