Dhaka বোর্ড 2025 Civics 1st Paper

Dhaka শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Civics 1st Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Dhaka

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCCivics 1st PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:গণসম্মতি + আইনের শাসন + স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা = ?Q. '?' চিহ্নিত স্থানে কোনটি বসবে?
  • .গণসন্তুষ্টি
  • .সুশাসন
  • .গণঅধিকার
  • .সমৃদ্ধ শাসন

উত্তর: সুশাসন

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:গণসম্মতি + আইনের শাসন + স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা = ?Q. বর্ণিত বিষয়টি নিশ্চিত করে-
i. জনগণের অংশগ্রহণ
ii. মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা
iii. শাসকের কর্মদক্ষতানিচের কোনটি সঠিক?
  • .i ও ii
  • .ii ও iii
  • .i ও iii
  • .i, ii, ও iii

উত্তর: i, ii, ও iii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

স্বচ্ছতা কী?

উত্তর

যখন কোনো আইন এবং নীতি মেনে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তার বাস্তবায়ন করা হয় তখন তাকে স্বচ্ছতা বলে।
জবাবদিহিতা কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ও জবাবদিহিতা প্রয়োজন, কারণ এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। জবাবদিহিতা বলতে বোঝায় কর্তৃত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলতা ও কর্মের জন্য জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকা। এটি নিশ্চিত হলে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ হয় এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে। জনগণের অধিকার ও প্রয়োজন অনুসারে কাজ করা সহজ হয়। জবাবদিহিতা থাকলে শাসনব্যবস্থা আরও কার্যকর ও গণমুখী হয়ে ওঠে, যা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূলভিত্তি।
লেখচিত্রটির '?' চিহ্নিত স্থানে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

লেখচিত্রটির "?" চিহ্নিত স্থানে আমার পাঠ্যবইয়ের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টির পরিধিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলো নাগরিক। একটি রাষ্ট্রের উন্নতি-অবনতি, উত্থান-পতন, সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করে রাষ্ট্রের নাগরিকের ভূমিকার ওপর। উত্তম নাগরিক রাষ্ট্রের সম্পদ। নাগরিকের উত্তম ও পূর্ণাঙ্গ জীবন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই মূলত রাষ্ট্রের উৎপত্তি। এসব কারণে পৌরনীতিকে নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়। আবার, নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য যেমন অধিকার অপরিহার্য, তেমনি রাষ্ট্রকে সচল, গতিশীল ও প্রাণবন্ত করার জন্য কর্তব্য পালন আবশ্যক। অধিকার ভোগ করতে হলে একজন নাগরিককে যেসব কর্তব্য পালন করতে হয় এবং অধিকার যেভাবে বিভিন্ন ধরনের কর্তব্যের সাথে সম্পর্কিত পৌরনীতি তা আলোচনা করে। তাছাড়া রাষ্ট্রের সংজ্ঞা, প্রকৃতি ও উৎপত্তির ইতিহাস, রাষ্ট্রের উপাদানসমূহ, রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি, সরকারের প্রকৃতি ও শ্রেণিবিভাগ এবং কার্যাবলি প্রভৃতি বিষয় নাগরিক জীবনের সাথে জড়িত। পৌরনীতি এসব বিষয় সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করে। এছাড়া নাগরিক জীবন আজ স্থানীয় ও জাতীয় গণ্ডির সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক রূপ লাভ করেছে। অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশই বর্তমানে প্রতিবেশী ও দূরের সকল রাষ্ট্রের সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করে। এক্ষেত্রে বিশ্বশান্তি ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে সুদৃঢ় করার জন্যই মানুষ গড়ে তুলেছে জাতিসংঘসহ বহু আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। পৌরনীতি ও সুশাসন এসব প্রতিষ্ঠানের উদ্ভব, বিকাশ, উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি সম্পর্কে আলোচনা করে।উদ্দীপকের লেখচিত্রে দেখানো তথ্যগুলো হলো নাগরিক, অধিকার ও কর্তব্য এবং রাষ্ট্র, বিশ্বমানবতা। এসব তথ্যগুলো পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধিকেই উপস্থাপন করে।তাই বলা যায়, লেখচিত্রটির "?" চিহ্নিত স্থানে আমার পাঠ্যবইয়ের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টির পরিধিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি নাগরিককে কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে? মতামত দাও।

উত্তর

হ্যাঁ, আমি মনে করি উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি তথা পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিককে কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।সুনাগরিক সেই ব্যক্তি যিনি নিজ দেশের আইন মেনে চলেন, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন, অপরের অধিকারকে সম্মান করেন এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। আত্মনিয়ন্ত্রণ, বিবেকবোধ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা- এই গুণগুলো একজন সুনাগরিকের বৈশিষ্ট্য। তিনি দেশপ্রেমিক, শৃঙ্খলাপরায়ণ এবং সমাজকল্যাণে আগ্রহী।পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি একজন নাগরিককে দায়িত্বশীল করে গড়ে তোলে। এটি অধ্যয়নের ফলে নাগরিক নিজ অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হয় এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি বুঝতে পারে। নাগরিকতার সাথে যুক্ত নানা গুণ যেমন উদারতা, সহনশীলতা, সততা ও দায়িত্ববোধ তার মধ্যে বিকশিত হয়। নাগরিকের ভেতরে গোঁড়ামি ও সংকীর্ণতা দূর হয়ে বিচারবোধ ও যুক্তিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে। ফলে সে সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখে এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করে। সুশাসনের উপাদানসমূহ যেমন আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ, স্থানীয় সরকারের শক্তিশালীকরণ ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে প্রস্তুত হয়। সে জানে কীভাবে নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হয় এবং কোন পথে জাতি উন্নতির দিকে এগোতে পারে। পাশাপাশি সে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা অনুভব করে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করতে আগ্রহী হয়।পরিশেষে বলা যায়, একজন নাগরিক যখন অধিকার ও কর্তব্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে শেখে, তখনই সে সত্যিকার অর্থে সুনাগরিকে পরিণত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

স্বচ্ছতা কী?

উত্তর

যখন কোনো আইন এবং নীতি মেনে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তার বাস্তবায়ন করা হয় তখন তাকে স্বচ্ছতা বলে।
জবাবদিহিতা কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ও জবাবদিহিতা প্রয়োজন, কারণ এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। জবাবদিহিতা বলতে বোঝায় কর্তৃত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলতা ও কর্মের জন্য জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকা। এটি নিশ্চিত হলে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ হয় এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে। জনগণের অধিকার ও প্রয়োজন অনুসারে কাজ করা সহজ হয়। জবাবদিহিতা থাকলে শাসনব্যবস্থা আরও কার্যকর ও গণমুখী হয়ে ওঠে, যা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূলভিত্তি।
লেখচিত্রটির '?' চিহ্নিত স্থানে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

লেখচিত্রটির "?" চিহ্নিত স্থানে আমার পাঠ্যবইয়ের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টির পরিধিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলো নাগরিক। একটি রাষ্ট্রের উন্নতি-অবনতি, উত্থান-পতন, সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করে রাষ্ট্রের নাগরিকের ভূমিকার ওপর। উত্তম নাগরিক রাষ্ট্রের সম্পদ। নাগরিকের উত্তম ও পূর্ণাঙ্গ জীবন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই মূলত রাষ্ট্রের উৎপত্তি। এসব কারণে পৌরনীতিকে নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়। আবার, নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য যেমন অধিকার অপরিহার্য, তেমনি রাষ্ট্রকে সচল, গতিশীল ও প্রাণবন্ত করার জন্য কর্তব্য পালন আবশ্যক। অধিকার ভোগ করতে হলে একজন নাগরিককে যেসব কর্তব্য পালন করতে হয় এবং অধিকার যেভাবে বিভিন্ন ধরনের কর্তব্যের সাথে সম্পর্কিত পৌরনীতি তা আলোচনা করে। তাছাড়া রাষ্ট্রের সংজ্ঞা, প্রকৃতি ও উৎপত্তির ইতিহাস, রাষ্ট্রের উপাদানসমূহ, রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি, সরকারের প্রকৃতি ও শ্রেণিবিভাগ এবং কার্যাবলি প্রভৃতি বিষয় নাগরিক জীবনের সাথে জড়িত। পৌরনীতি এসব বিষয় সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করে। এছাড়া নাগরিক জীবন আজ স্থানীয় ও জাতীয় গণ্ডির সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক রূপ লাভ করেছে। অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশই বর্তমানে প্রতিবেশী ও দূরের সকল রাষ্ট্রের সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করে। এক্ষেত্রে বিশ্বশান্তি ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে সুদৃঢ় করার জন্যই মানুষ গড়ে তুলেছে জাতিসংঘসহ বহু আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। পৌরনীতি ও সুশাসন এসব প্রতিষ্ঠানের উদ্ভব, বিকাশ, উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি সম্পর্কে আলোচনা করে।উদ্দীপকের লেখচিত্রে দেখানো তথ্যগুলো হলো নাগরিক, অধিকার ও কর্তব্য এবং রাষ্ট্র, বিশ্বমানবতা। এসব তথ্যগুলো পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধিকেই উপস্থাপন করে।তাই বলা যায়, লেখচিত্রটির "?" চিহ্নিত স্থানে আমার পাঠ্যবইয়ের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টির পরিধিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি নাগরিককে কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে? মতামত দাও।

উত্তর

হ্যাঁ, আমি মনে করি উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি তথা পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিককে কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।সুনাগরিক সেই ব্যক্তি যিনি নিজ দেশের আইন মেনে চলেন, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন, অপরের অধিকারকে সম্মান করেন এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। আত্মনিয়ন্ত্রণ, বিবেকবোধ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা- এই গুণগুলো একজন সুনাগরিকের বৈশিষ্ট্য। তিনি দেশপ্রেমিক, শৃঙ্খলাপরায়ণ এবং সমাজকল্যাণে আগ্রহী।পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি একজন নাগরিককে দায়িত্বশীল করে গড়ে তোলে। এটি অধ্যয়নের ফলে নাগরিক নিজ অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হয় এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি বুঝতে পারে। নাগরিকতার সাথে যুক্ত নানা গুণ যেমন উদারতা, সহনশীলতা, সততা ও দায়িত্ববোধ তার মধ্যে বিকশিত হয়। নাগরিকের ভেতরে গোঁড়ামি ও সংকীর্ণতা দূর হয়ে বিচারবোধ ও যুক্তিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে। ফলে সে সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখে এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করে। সুশাসনের উপাদানসমূহ যেমন আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ, স্থানীয় সরকারের শক্তিশালীকরণ ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে প্রস্তুত হয়। সে জানে কীভাবে নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হয় এবং কোন পথে জাতি উন্নতির দিকে এগোতে পারে। পাশাপাশি সে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা অনুভব করে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করতে আগ্রহী হয়।পরিশেষে বলা যায়, একজন নাগরিক যখন অধিকার ও কর্তব্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে শেখে, তখনই সে সত্যিকার অর্থে সুনাগরিকে পরিণত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

স্বচ্ছতা কী?

উত্তর

যখন কোনো আইন এবং নীতি মেনে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তার বাস্তবায়ন করা হয় তখন তাকে স্বচ্ছতা বলে।
জবাবদিহিতা কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ও জবাবদিহিতা প্রয়োজন, কারণ এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। জবাবদিহিতা বলতে বোঝায় কর্তৃত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলতা ও কর্মের জন্য জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকা। এটি নিশ্চিত হলে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ হয় এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে। জনগণের অধিকার ও প্রয়োজন অনুসারে কাজ করা সহজ হয়। জবাবদিহিতা থাকলে শাসনব্যবস্থা আরও কার্যকর ও গণমুখী হয়ে ওঠে, যা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূলভিত্তি।
লেখচিত্রটির '?' চিহ্নিত স্থানে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

লেখচিত্রটির "?" চিহ্নিত স্থানে আমার পাঠ্যবইয়ের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টির পরিধিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলো নাগরিক। একটি রাষ্ট্রের উন্নতি-অবনতি, উত্থান-পতন, সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করে রাষ্ট্রের নাগরিকের ভূমিকার ওপর। উত্তম নাগরিক রাষ্ট্রের সম্পদ। নাগরিকের উত্তম ও পূর্ণাঙ্গ জীবন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই মূলত রাষ্ট্রের উৎপত্তি। এসব কারণে পৌরনীতিকে নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়। আবার, নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য যেমন অধিকার অপরিহার্য, তেমনি রাষ্ট্রকে সচল, গতিশীল ও প্রাণবন্ত করার জন্য কর্তব্য পালন আবশ্যক। অধিকার ভোগ করতে হলে একজন নাগরিককে যেসব কর্তব্য পালন করতে হয় এবং অধিকার যেভাবে বিভিন্ন ধরনের কর্তব্যের সাথে সম্পর্কিত পৌরনীতি তা আলোচনা করে। তাছাড়া রাষ্ট্রের সংজ্ঞা, প্রকৃতি ও উৎপত্তির ইতিহাস, রাষ্ট্রের উপাদানসমূহ, রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি, সরকারের প্রকৃতি ও শ্রেণিবিভাগ এবং কার্যাবলি প্রভৃতি বিষয় নাগরিক জীবনের সাথে জড়িত। পৌরনীতি এসব বিষয় সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করে। এছাড়া নাগরিক জীবন আজ স্থানীয় ও জাতীয় গণ্ডির সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক রূপ লাভ করেছে। অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশই বর্তমানে প্রতিবেশী ও দূরের সকল রাষ্ট্রের সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করে। এক্ষেত্রে বিশ্বশান্তি ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে সুদৃঢ় করার জন্যই মানুষ গড়ে তুলেছে জাতিসংঘসহ বহু আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। পৌরনীতি ও সুশাসন এসব প্রতিষ্ঠানের উদ্ভব, বিকাশ, উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি সম্পর্কে আলোচনা করে।উদ্দীপকের লেখচিত্রে দেখানো তথ্যগুলো হলো নাগরিক, অধিকার ও কর্তব্য এবং রাষ্ট্র, বিশ্বমানবতা। এসব তথ্যগুলো পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধিকেই উপস্থাপন করে।তাই বলা যায়, লেখচিত্রটির "?" চিহ্নিত স্থানে আমার পাঠ্যবইয়ের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টির পরিধিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি নাগরিককে কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে? মতামত দাও।

উত্তর

হ্যাঁ, আমি মনে করি উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি তথা পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিককে কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।সুনাগরিক সেই ব্যক্তি যিনি নিজ দেশের আইন মেনে চলেন, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন, অপরের অধিকারকে সম্মান করেন এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। আত্মনিয়ন্ত্রণ, বিবেকবোধ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা- এই গুণগুলো একজন সুনাগরিকের বৈশিষ্ট্য। তিনি দেশপ্রেমিক, শৃঙ্খলাপরায়ণ এবং সমাজকল্যাণে আগ্রহী।পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি একজন নাগরিককে দায়িত্বশীল করে গড়ে তোলে। এটি অধ্যয়নের ফলে নাগরিক নিজ অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হয় এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি বুঝতে পারে। নাগরিকতার সাথে যুক্ত নানা গুণ যেমন উদারতা, সহনশীলতা, সততা ও দায়িত্ববোধ তার মধ্যে বিকশিত হয়। নাগরিকের ভেতরে গোঁড়ামি ও সংকীর্ণতা দূর হয়ে বিচারবোধ ও যুক্তিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে। ফলে সে সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখে এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করে। সুশাসনের উপাদানসমূহ যেমন আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ, স্থানীয় সরকারের শক্তিশালীকরণ ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে প্রস্তুত হয়। সে জানে কীভাবে নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হয় এবং কোন পথে জাতি উন্নতির দিকে এগোতে পারে। পাশাপাশি সে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা অনুভব করে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করতে আগ্রহী হয়।পরিশেষে বলা যায়, একজন নাগরিক যখন অধিকার ও কর্তব্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে শেখে, তখনই সে সত্যিকার অর্থে সুনাগরিকে পরিণত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

স্বচ্ছতা কী?

উত্তর

যখন কোনো আইন এবং নীতি মেনে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তার বাস্তবায়ন করা হয় তখন তাকে স্বচ্ছতা বলে।
জবাবদিহিতা কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ও জবাবদিহিতা প্রয়োজন, কারণ এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। জবাবদিহিতা বলতে বোঝায় কর্তৃত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলতা ও কর্মের জন্য জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকা। এটি নিশ্চিত হলে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ হয় এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে। জনগণের অধিকার ও প্রয়োজন অনুসারে কাজ করা সহজ হয়। জবাবদিহিতা থাকলে শাসনব্যবস্থা আরও কার্যকর ও গণমুখী হয়ে ওঠে, যা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূলভিত্তি।
লেখচিত্রটির '?' চিহ্নিত স্থানে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

লেখচিত্রটির "?" চিহ্নিত স্থানে আমার পাঠ্যবইয়ের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টির পরিধিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলো নাগরিক। একটি রাষ্ট্রের উন্নতি-অবনতি, উত্থান-পতন, সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করে রাষ্ট্রের নাগরিকের ভূমিকার ওপর। উত্তম নাগরিক রাষ্ট্রের সম্পদ। নাগরিকের উত্তম ও পূর্ণাঙ্গ জীবন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই মূলত রাষ্ট্রের উৎপত্তি। এসব কারণে পৌরনীতিকে নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়। আবার, নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য যেমন অধিকার অপরিহার্য, তেমনি রাষ্ট্রকে সচল, গতিশীল ও প্রাণবন্ত করার জন্য কর্তব্য পালন আবশ্যক। অধিকার ভোগ করতে হলে একজন নাগরিককে যেসব কর্তব্য পালন করতে হয় এবং অধিকার যেভাবে বিভিন্ন ধরনের কর্তব্যের সাথে সম্পর্কিত পৌরনীতি তা আলোচনা করে। তাছাড়া রাষ্ট্রের সংজ্ঞা, প্রকৃতি ও উৎপত্তির ইতিহাস, রাষ্ট্রের উপাদানসমূহ, রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি, সরকারের প্রকৃতি ও শ্রেণিবিভাগ এবং কার্যাবলি প্রভৃতি বিষয় নাগরিক জীবনের সাথে জড়িত। পৌরনীতি এসব বিষয় সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করে। এছাড়া নাগরিক জীবন আজ স্থানীয় ও জাতীয় গণ্ডির সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক রূপ লাভ করেছে। অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশই বর্তমানে প্রতিবেশী ও দূরের সকল রাষ্ট্রের সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করে। এক্ষেত্রে বিশ্বশান্তি ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে সুদৃঢ় করার জন্যই মানুষ গড়ে তুলেছে জাতিসংঘসহ বহু আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। পৌরনীতি ও সুশাসন এসব প্রতিষ্ঠানের উদ্ভব, বিকাশ, উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি সম্পর্কে আলোচনা করে।উদ্দীপকের লেখচিত্রে দেখানো তথ্যগুলো হলো নাগরিক, অধিকার ও কর্তব্য এবং রাষ্ট্র, বিশ্বমানবতা। এসব তথ্যগুলো পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধিকেই উপস্থাপন করে।তাই বলা যায়, লেখচিত্রটির "?" চিহ্নিত স্থানে আমার পাঠ্যবইয়ের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টির পরিধিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি নাগরিককে কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে? মতামত দাও।

উত্তর

হ্যাঁ, আমি মনে করি উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি তথা পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিককে কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।সুনাগরিক সেই ব্যক্তি যিনি নিজ দেশের আইন মেনে চলেন, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন, অপরের অধিকারকে সম্মান করেন এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। আত্মনিয়ন্ত্রণ, বিবেকবোধ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা- এই গুণগুলো একজন সুনাগরিকের বৈশিষ্ট্য। তিনি দেশপ্রেমিক, শৃঙ্খলাপরায়ণ এবং সমাজকল্যাণে আগ্রহী।পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি একজন নাগরিককে দায়িত্বশীল করে গড়ে তোলে। এটি অধ্যয়নের ফলে নাগরিক নিজ অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হয় এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি বুঝতে পারে। নাগরিকতার সাথে যুক্ত নানা গুণ যেমন উদারতা, সহনশীলতা, সততা ও দায়িত্ববোধ তার মধ্যে বিকশিত হয়। নাগরিকের ভেতরে গোঁড়ামি ও সংকীর্ণতা দূর হয়ে বিচারবোধ ও যুক্তিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে। ফলে সে সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখে এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করে। সুশাসনের উপাদানসমূহ যেমন আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ, স্থানীয় সরকারের শক্তিশালীকরণ ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে প্রস্তুত হয়। সে জানে কীভাবে নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হয় এবং কোন পথে জাতি উন্নতির দিকে এগোতে পারে। পাশাপাশি সে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা অনুভব করে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করতে আগ্রহী হয়।পরিশেষে বলা যায়, একজন নাগরিক যখন অধিকার ও কর্তব্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে শেখে, তখনই সে সত্যিকার অর্থে সুনাগরিকে পরিণত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:Q. উদ্দীপকের ? প্রশ্ন চিহ্নিত স্থানে কী বসবে?
  • .প্রাকৃতিক স্বাধীনতা
  • .রাজনৈতিক স্বাধীনতা
  • .আইনগত স্বাধীনতা
  • .সামাজিক স্বাধীনতা

উত্তর: রাজনৈতিক স্বাধীনতা

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:Q. উক্ত স্বাধীনতা লজ্জিত হলে-
i. সিদ্ধান্ত গ্রহণ ব্যহত হয়
ii. দলীয় শৃঙ্খলা নষ্ট হয়
iii. রাষ্ট্রে অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়নিচের কোনটি সঠিক?
  • .i ও ii
  • .i ও iii
  • .ii ও iii
  • .i, ii, ও iii

উত্তর: i, ii, ও iii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো